শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই!

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৮:১৫ সকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজা: বিশ্বের নিষ্ঠুর নীরবতায় উত্তরহীন আর্তনাদ

দুই বছর ধরে আগুন ও রক্তের বন্যা: ১৫টি বড় সংকট তৈরি করেছে গাজাবাসীদের জন্য

পার্সটুডে- গাজা উপত্যকায় ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আগ্রাসন এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য ১৫টি বড় সংকটের দিকে নিয়ে গেছে।

গত দুই বছরে, গাজায় ইহুদিবাদী ইসরায়েলের আগ্রাসন এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য ১৫টি বড় সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে যা একটি অভূতপূর্ব এবং পদ্ধতিগত গণহত্যার কাঠামোর মধ্যে ঘটেছে এবং এর লক্ষ্য ছিল জনগণের উপর চাপ সৃষ্টি করা, হামাসকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা এবং ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক স্থানান্তর করা।

প্রথম সংকট হল ব্যাপক গণহত্যা যার ফলে ৭৬,০০০ এরও বেশি মানুষ শহীদ ও নিখোঁজ হয়েছে এবং প্রায় ১,৬৯,০০০ জন আহত হয়েছে। আহতদের অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে গেছে।

দ্বিতীয় সংকট হল খাদ্য, পানি এবং অতী প্রয়োজনীয় জিনিসের তীব্র অভাব।

তৃতীয় সংকট হল স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়া এবং ওষুধের তীব্র ঘাটতি। হাসপাতালগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং রোগীদের কাছে সাধারণ ওষুধও পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

চতুর্থ সংকট হলো ব্যাপকভাবে ঘরবাড়ি ধ্বংস এবং জনবসতিহীন এলাকায় তাঁবুতে মানুষকে জোরপূর্বক বসতি স্থাপন করা।

পঞ্চম সংকট হলো পোশাক, জুতা এবং জ্বালানির মতো মৌলিক পণ্য প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা, যা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করছে।

ষষ্ঠ সংকট হলো যানবাহন ধ্বংস এবং জ্বালানির অভাবের কারণে সৃষ্ট পরিবহন সংকট, যা মানুষকে ঠেলা গাড়ি এবং পশু ব্যবহার করতে বাধ্য করেছে।

সপ্তম সংকট হলো অসুস্থ ও আহতদের চিকিৎসার জন্য গাজা ত্যাগের উপর নিষেধাজ্ঞা।

অষ্টম সংকট হলো অর্থনীতি ধ্বংস এবং মানুষের আয়ের উৎস ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, যা তাদেরকে গৃহস্থালির জিনিসপত্র বিক্রি করতে বা আত্মীয়দের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য করেছে।

নবম সংকট হলো ব্যাংক বন্ধ এবং নগদ অর্থের অভাব।

দশম সংকট হলো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করার কারণে আবর্জনা এবং পয়ঃনিষ্কাশনের মতো জনসেবা ব্যবস্থার অভাব।

একাদশ সংকট হলো যোগাযোগ এবং ইন্টারনেটের অভাব, যা পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সংযোগ ব্যাহত করেছে।

দ্বাদশ সংকট হলো স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে, যা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত সুবিধার উপর ভায়াবহ প্রভাব ফেলেছে।

ত্রয়োদশ সংকট হলো বিদ্যুৎ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং সীমিত জেনারেটরের উপর নির্ভরতা।

চতুর্দশ সংকট হলো ইসরায়েলিদের দ্বারা মানবিক সাহায্য চুরি।

পঞ্চদশ সংকট হলো গাজাকে উত্তর ও দক্ষিণ অংশে বিভক্ত করা এবং পরিবারের মধ্যে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখা।

এই সব সংকট গাজার জনগণের জন্য এক বিপর্যয়কর মানবিক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়