শিরোনাম
◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে 

প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪২ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সেনা নিরাপত্তায় ৯ দিন কাটিয়ে ব্যক্তিগত ঠিকানায় গেলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি

ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় ছিলেন। ব্যারাকে ৯ দিন কাটানোর পর একটি ব্যক্তিগত জায়গায় চলে গেছেন। খবর কাঠমাণ্ডু পোস্টের।

খবরে বলা হয়, গত ৯ সেপ্টেম্বর পদত্যাগের পর থেকে তিনি শিবপুরীর সেনা স্টাফ কলেজে অবস্থান করছিলেন।

তবে গত বৃহস্পতিবার তিনি সেখান থেকে বের হয়ে যান। এদিকে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর প্রথম বিবৃতিতে ভারতের সমালোচনা করেছেন অলি। সেনাবাহিনী সূত্রের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, সেনা নিরাপত্তায় ৯ দিন কাটানোর পর নেপালের কমিউনিস্ট পার্টির চেয়ারম্যান একটি ব্যক্তিগত জায়গায় চলে গেছেন। তবে এখন থেকে তিনি কোথায় থাকবেন, তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।

গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কাঠমাণ্ডু থেকে ১৫ কিলোমিটার পূর্বে ভক্তপুর জেলার গুণ্ডু এলাকার একটি ব্যক্তিগত বাড়িতে চলে যেতে পারেন অলি।

গতকাল শুক্রবার নেপালের সংবিধান দিবসে ফেসবুকে এক বিবৃতিতে অলি দেশটির সংবিধান প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।

তিনি লিখেছেন, ‘অবরোধ এবং দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো কাটিয়ে সংবিধান জারি করা হয়েছিল।’ তিনি ২০১৫ সালের অবরোধের কথা উল্লেখ করেন, যে অবরোধে ভারতের হাত ছিল বলে দোষারোপ করা হয়।

২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নেপাল দক্ষিণ সীমান্তে তীব্র অবরোধের সম্মুখীন হয়। সেখানে জ্বালানি, ওষুধ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ বহনকারী ট্রাকগুলোকে দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

এই অবরোধের নেতৃত্ব দেওয়া হয় জাতিগত সংখ্যালঘুদের দিয়ে। ভারত সেই সময় নেপালে সরবরাহ বন্ধ করার কথা অস্বীকার করে বলেছিল, নেপালের দিকের নেপালি জনগোষ্ঠীই এই বাধা সৃষ্টি করছে। যদিও অলি তার পোস্টে স্পষ্টভাবে ভারতের নাম উল্লেখ করেননি, তবে তার মন্তব্য দেশটির দিকেই ইঙ্গিত করে।

তিনি বলেন, অবরোধ নেপালের পররাষ্ট্রনীতি এবং অবকাঠামোগত কৌশলের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে কাজ করেছে। অলি দাবি করেছেন, পুলিশকে কখনোই বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিইনি।

হত্যায় ব্যবহৃত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র পুলিশের কাছে ছিলই না বলেও দাবি তার। আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আয়োজকরা নিজেরাই স্বীকার করেছেন আন্দোলনে অনুপ্রবেশ ঘটেছিল। ষড়যন্ত্রকারীরা সহিংসতা সৃষ্টি করেছে। সরকার কখনোই পুলিশকে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে নির্দেশ দেয়নি। তদন্তে বেরিয়ে আসুক, কারা সেই স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে।’

সূত্র: কালের কণ্ঠ 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়