শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:১১ রাত
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দুবাইয়ে বিকৃত যৌ.নাচার ব্যবসার চক্রের মুখোশ উন্মোচন এবার বিবিসির অনুসন্ধানে!

বিবিসি বাংলার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, দুবাইয়ে 'পোরটা পট্টি' নামে একটি অবৈধ চক্র সক্রিয় রয়েছে, যারা অর্থের বিনিময়ে নারীদের যৌনকর্মে বাধ্য করে। এই চক্রের সাথে জড়িত উগান্ডার কয়েকজন নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

যখন একজন  উগান্ডার তরুণীর মৃত্যুর খবর ভাইরাল হয়, তখন  #DubaiPortaPotty-এর বিষয়টি আলোচনায় আসে। বিবিসি আই-এর তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে এর পিছনে আরও অন্ধকার বাস্তবতা লুকিয়ে রয়েছে, এবং উগান্ডার মহিলাদের কাছ থেকে শোনা গেছে যে তাদের সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে প্রায়শই কাজের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রলুব্ধ করা হয়েছিল 

প্রতিবেদনের মূল বিষয়গুলো হলো:

'পোরটা পট্টি' চক্র: দুবাইয়ের এই অবৈধ চক্রটি নারীদের দিয়ে বিকৃত যৌনাচার ও পতিতাবৃত্তি পরিচালনা করে।

সন্দেহজনক মৃত্যু: মোনিক কারুঙ্গি ও কায়লা নামের দুই নারী, যারা এই চক্রের শিকার হয়েছিলেন, দুবাইয়ে উঁচু ভবন থেকে পড়ে মারা যান। দুবাই পুলিশ এই দুটি মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

গোপন নেটওয়ার্ক: বিবিসি মোনিক ও কায়লার মৃত্যুর পেছনে একটি গোপন নেটওয়ার্কের সন্ধান পায়। এই চক্রটি মূলত উগান্ডা থেকে নারীদের দুবাইয়ে নিয়ে আসে এবং পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে।

মূল হোতা: চার্লস ময়সিগুয়া নামের এক ব্যক্তি এই চক্রের অন্যতম প্রধান সংগঠক। তিনি নিজেকে ইভেন্ট অর্গানাইজার হিসেবে পরিচয় দিলেও উগান্ডা থেকে নারীদের এনে দুবাইয়ে অবৈধ যৌন ব্যবসা পরিচালনা করেন।

পরিবারের দুর্দশা: মোনিকের পরিবার তার মৃতদেহ ফেরত পায়নি। তবুও তারা তার স্মরণে একটি প্রার্থনার আয়োজন করে।

ভিডিওটি দুবাইয়ের অন্ধকার জগতের একটি দিক তুলে ধরেছে, যেখানে অবৈধ চক্রের হাতে নারী পাচার ও তাদের করুণ পরিণতির বিষয়টি উঠে এসেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়