শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪১ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কলকাতায় সাইনবোর্ডে বাংলায় নাম লেখা বাধ্যতামূলক, না মানলে ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি মেয়রের

কলকাতার দোকান, ব্যবসায়িক  প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সংস্থা যদি বাংলায় নাম না ডিসপ্লে করে, তাহলে তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। এমনই কড়া বার্তা দিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পুরসভা গত ৩০ আগস্ট একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে বাংলায় নাম ওপরের অংশে স্পষ্টভাবে থাকতে হবে। অন্যান্য ভাষায় নাম লেখার অনুমতি থাকলেও বাংলা বাধ্যতামূলক। এবার মেয়র জানালেন, যেহেতু ৩০ সেপ্টেম্বর অষ্টমীর দিন, তাই দুর্গাপুজোর সময় কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে উৎসবের পরে আইন কার্যকর করা হবে। সূত্র: আনন্দবাজার

তিনি বলেন, ‘যেসব দোকান ও প্রতিষ্ঠান বাংলায় নাম লেখে না, তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করব।’

সম্প্রতি ভারতের বিজেপিশাসিত কয়েকটি রাজ্যে বাংলা ভাষাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি করেছে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই তৃণমূল বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সরব হয়। দলীয় অবস্থান অনুসারে পুরসভার তরফেও প্রশাসনে বাংলা ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে খবর।

মেয়রের এই বক্তব্যের পর থেকেই শহরের ব্যবসায়ী মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, বাংলা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া একেবারেই স্বাভাবিক ও যৌক্তিক পদক্ষেপ। তবে অন্য দিকে, কিছু ব্যবসায়ী মনে করছেন, হঠাৎ করে পুরসভার এই নির্দেশিকা কার্যকর হলে তাদের বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হবে। বিশেষ করে যে সব দোকানের বহু পুরনো সাইনবোর্ড রয়েছে, সেগুলি বদলাতে সময় ও অর্থ দুই-ই লাগবে।

মেয়র ফিরহাদ হেকিম স্পষ্ট করেছেন, যে এই পদক্ষেপ অন্য ভাষাকে অসম্মান করার উদ্দেশ্যে নয়। তার কথায়, ‘বাংলায় কথা বলার মানে এই নয় যে, আমি হিন্দিকে অসম্মান করি। বাংলা ভাষা এই শহরের প্রাণ। তাই সরকারি থেকে বেসরকারি, সর্বত্র বাংলার মর্যাদা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

তবে পুরসভার একাধিক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, কলকাতা পৌর আইন সরাসরি সাইনবোর্ডে বাংলা ব্যবহার না করার কারণে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করার ক্ষমতা দেয় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একজন অফিসার জানান, আইন অনুযায়ী দোকান মালিকরা কমিশনারের অনুমতি নিয়ে নামবোর্ড বসাতে পারেন এবং এ ক্ষেত্রে কোনও ফি দিতে  দিতে হয় না। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এই নিয়ম মানে না। ফলে, বাংলা সাইনবোর্ড না থাকলে অনুমতিই বাতিল করা হবে, যা ব্যবসায়ীদের বাধ্য করবে নির্দেশ মানতে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়