শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৫:৩৩ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনীতি থেকে নেপালে ৬ সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে অবসরে পাঠানোর উদ্যোগ

নেপালে চলমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নতুন এক প্রস্তাব সামনে এসেছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব চাইছেন, দীর্ঘদিন ধরে নেপালি রাজনীতিকে প্রভাবিত করা ছয় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর নেপালজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দুর্নীতি ও অদক্ষতার বিরুদ্ধে জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলনের চাপেই তার এই পদত্যাগ। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল এখন দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে যাচ্ছেন। সেনাবাহিনী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার সমন্বয় করছে।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি হলো একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন। এ ক্ষেত্রে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার বিষয়ে আন্দোলনকারী ও রাজনৈতিক মহলে এক ধরনের ঐকমত্য গড়ে উঠছে।

বিভিন্ন দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল, মাওবাদী কেন্দ্র ও ইউনিফায়েড সোশ্যালিস্ট; চার দলের দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব চাইছেন ওলি, শেরবাহাদুর দেবুয়া, পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ড, মাধবকুমার নেপাল, ঝলানাথ খানাল ও ড. বাবুরাম ভট্টরায়কে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে। এর মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্বের পথ উন্মুক্ত হবে বলে তারা মনে করছেন।

এক বামপন্থি দলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা চাই ছয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে বিবৃতি দিয়ে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিন। দেশকে এগিয়ে নিতে নতুন নেতৃত্বের সুযোগ দিতে হবে।

ইউনিফায়েড সোশ্যালিস্টের ঝলানাথ খানাল প্রস্তাবের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। একইভাবে ড. বাবুরাম ভট্টরায়ও কিছু ভালো প্রস্তাব দিয়েছেন এবং সরে দাঁড়াতে রাজি আছেন বলে দলের ভেতরে আলোচনা চলছে।

নেপালি কংগ্রেসের মধ্যেও এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এক নেতা বলেন, আমরা প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছি। যদি অন্য দলের নেতারা একসঙ্গে এগোন, তবে প্রেসিডেন্ট দেবুয়ার কাছে আমরা বিষয়টি তুলব।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, যদি ওলি, প্রচণ্ড ও মাধব নেপালও প্রস্তাবে রাজি হন, তবে দ্বিতীয় সারির নেতাদের পরিকল্পনা সফল হতে পারে। এতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা ঘটবে নেপালে। সূত্র: খবর হাব

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়