শিরোনাম
◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক

প্রকাশিত : ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৩ দুপুর
আপডেট : ২৬ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় মিয়ানমারের নাগরিক কাজ করছে অবৈধ বিনোদনকেন্দ্রে

মালয়েশিয়ার জোহরে অবৈধ কর্মকাণ্ডের অভিযোগে মিয়ানমারের ৮৩ নাগরিককে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আটটি বিনোদনকেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছে পরিচর্যাকারী, হোস্টেস, এমনকি গ্রাহকও।

রাজ্য পুলিশের প্রধান সিপি দাতুক কামারুল জামান মামাত এক বিবৃতিতে জানান, গত ৩০ ও ৩১ আগস্ট একযোগে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানটিতে নেতৃত্ব দেয় জোহর ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট। আরও জানানো হয়েছে, আটককৃতদের বয়স ২২ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। তাঁদের মধ্যে ৪৭ জন পুরুষ ও ৩৬ জন নারী।

তিনি আরও জানান, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জন পরিচর্যাকারী, ২৯ জন হোস্টেস, একজন রাঁধুনি এবং ৪৪ জন গ্রাহক। এদের বেশির ভাগের কাছেই বৈধ ভ্রমণ নথি ছিল না।

তিনি আরও জানান, যেসব বিনোদনকেন্দ্রে অভিযান চালানো হয়েছ, সেগুলোও বৈধ ব্যবসা বা বিনোদন লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছিল। পাশাপাশি অনুমতি ছাড়া বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। অভিযানে হিসাবের খাতা, বিক্রির রসিদ, মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট এবং নগদ ৫ হাজার ৮৮ রিঙ্গিতও জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় জোহর এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড প্লেসেস অব এন্টারটেইনমেন্ট ইন্যাক্টমেন্ট, ১৯৯৮; জোহর বাহরু সিটি কাউন্সিল ট্রেড, বিজনেস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল লাইসেন্স বাই লস, ২০১৬; লোকাল গভর্নমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৭৬ এবং ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট, ১৯৫৯/৬৩-এর আওতায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

কামারুল জামান বলেন, অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশিদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। পুলিশের অবস্থান পরিষ্কার—এ ধরনের কর্মকাণ্ডে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য থাকলে জোহর পুলিশের হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়