শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:০২ দুপুর
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শীতকাল নয়, সারা বছরই নিপাহের আশঙ্কা: কীভাবে বাঁচবেন জেনে নিন

দেশে নিপাহ ভাইরাস শুধু শীতকালীন বা খেজুরের রসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; এটি এখন সারা বছর এবং বিভিন্ন ফলের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে। এ ভাইরাস অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং এটি একটি প্রাণঘাতী রোগ। এ ভাইরাস সরাসরি মস্তিষ্ক (এনসেফালাইটিস) বা শ্বাসতন্ত্রকে আক্রমণ করে, যা দ্রুত মৃত্যুর কারণ হতে পারে। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। এখন পর্যন্ত এর কোনো কার্যকর টিকা ও সুনির্দিষ্ট ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। শুধু উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।

* সংক্রমণ: আক্রান্ত বাদুড়ের খাওয়া ফল বা রস পান করলে অথবা আক্রান্ত পশু ও মানুষের সংস্পর্শে এলে এ ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

* লক্ষণ: সংক্রমণের সাধারণত ৪ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়। তীব্র জ্বর এবং মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা, বমি ভাব এবং গলাব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও কাশি হতে পারে।

মারাত্মক পর্যায়ে মস্তিষ্কে প্রদাহ (এনসেফালাইটিস), যার ফলে মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হওয়া বা খিঁচুনি হতে পারে।

* দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা: যারা এ রোগ থেকে সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যে পরবর্তী সময়ে খিঁচুনি বা মানসিক পরিবর্তনের মতো স্নায়বিক সমস্যা থেকে যেতে পারে।

* সংক্রমণ প্রতিরোধ করণীয়: কোনোভাবেই কাঁচা খেজুরের রস পান করবেন না। প্রয়োজনে রস ফুটিয়ে খেতে পারেন। যে কোনো ফল খাওয়ার আগে ভালো করে ধুয়ে নিন এবং খোসা ছাড়িয়ে খান। বাদুড় বা পাখির আধখাওয়া ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস করুন।

* সতর্কতা : দেশে প্রধানত কাঁচা খেজুরের রস পানের মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়ায়। তাই বাদুড়ের লালা বা মলমূত্র মিশে থাকা কাঁচা খেজুরের রস পান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বাদুড়ের আধখাওয়া ফল খাওয়া যাবে না। সংক্রমিত ব্যক্তির সেবা করার সময় বা তার সংস্পর্শে এলে এটি অন্যদের মধ্যেও ছড়াতে পারে। তাই সংক্রমিত ব্যক্তির সেবা করার সময় মাস্ক এবং গ্লাভস ব্যবহার করুন।

যদি কারও মধ্যে নিপাহ ভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়, তবে বিলম্ব না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগ করুন। উৎস: যুগান্তর।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়