শিরোনাম
◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০২৫, ০১:৩৬ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কীভাবে চিনবেন ডেঙ্গু ছড়ানো এডিস মশা?

গ্রাম থেকে শহর সবখানেই এখন মশা আতঙ্কের নাম। মশার কামড়ে প্রতিবছর অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগে। চলতি বছরও ডেঙ্গুর পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। খবর বিবিসি বাংলা

সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, এ বছর এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৭ হাজার মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মারা গেছেন ৩০৭ জন। ২০১৯ সালে যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক লাখের বেশি, ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে তিন লাখে। ওই বছর মৃত্যু হয়েছিল দুই হাজারের কাছাকাছি মানুষের।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মুশতাক হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে এডিস মশার নির্মূলের বিকল্প নেই। শুধু কীটনাশক ছিটিয়ে এর বিস্তার রোধ করা সম্ভব নয়, প্রয়োজন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট।

এডিস মশা চেনার উপায়

বিশ্বে প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রজাতির মশা রয়েছে। বাংলাদেশে সবচেয়ে ক্ষতিকর তিনটি মশা হলো অ্যানোফিলিস, এডিস ও কিউলেক্স। এর মধ্যে এডিস মশার কামড়ে ছড়ায় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া।

ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী এডিস ইজিপ্টাই ও এডিস এলবোপিকটাস প্রজাতির মশাকে খালি চোখেই চেনা যায়। ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোলের তথ্যানুযায়ী, এডিস মশার দেহে সাদা-কালো ডোরাকাটা দাগ থাকে, যার কারণে একে ‘টাইগার মশা’ বলা হয়।

এ মশা সাধারণত মাঝারি আকারের, অ্যান্টেনা বা শুঁড় কিছুটা লোমশ এবং পুরুষ মশার অ্যান্টেনা স্ত্রী মশার তুলনায় বেশি লোমযুক্ত হয়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, এডিস মশা সাধারণত স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে। শহরের ফুলের টব, ছাদের বালতি বা বাগানের জমে থাকা পানিতে এদের বংশবিস্তার হয়। তবে তিনি সতর্ক করেছেন, সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে এ মশা এখন নোংরা পানিতেও বংশবিস্তার করতে সক্ষম।

বাংলাদেশে এডিস মশার বিস্তার

বাংলাদেশে এডিস মশার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় আশির দশক থেকে, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর। ১৯৯৮ সালে দেশে প্রথমবার ডেঙ্গু ভাইরাস শনাক্ত হয়, এরপর ২০০০ সালের পর থেকে প্রতি বছরই এর প্রকোপ বাড়তে থাকে।

অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আগে কেবল শহর এলাকায় এডিস মশা পাওয়া গেলেও এখন গ্রামেও এটি ছড়িয়ে পড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও নগরায়নের প্রভাবেই এ বিস্তার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশা দমনে সরকার ও জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নিয়মিত ফুলের টব, পাত্র ও ছাদের জমে থাকা পানি ফেলে দিতে হবে। কেবল তবেই ডেঙ্গুর ভয়াবহতা কমানো সম্ভব।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়