শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৩১ বিকাল
আপডেট : ১০ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিসা আবেদন বাতিল বা বিলম্ব হয় কেন, ইউরোপ বা আমেরিকা যেতে ভিসা না পাওয়ার তিন প্রধান কারণ

দুবাই ও আবুধাবিতে বসবাসকারীদের জন্য ইউরোপ, যুক্তরাজ্য কিংবা উত্তর আমেরিকায় ভ্রমণ যেন হাতের নাগালেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো-প্রতিবছর হাজারো প্রবাসীর ভিসা আবেদন বাতিল হয় বা দীর্ঘ সময় ঝুলে থাকে। ছুটি নেয়া, টিকিট কাটা, সব প্রস্তুতির পর হঠাৎ ভিসা প্রত্যাখ্যান বা দীর্ঘ নীরবতা ভ্রমণ পরিকল্পনাকে নষ্ট করে দেয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিসা কর্মকর্তারা আবেদন যাচাইয়ের সময় ‘হ্যাঁ’ বলার কারণ খোঁজেন না; বরং ‘না’ বলার সম্ভাব্য কারণগুলোই খতিয়ে দেখেন। তাই শুধু কাগজপত্র জমা দিলেই হয় না, আবেদনটিকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে উপস্থাপন করাও জরুরি। খবর গালফ নিউজের।

ভিসা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ব্রাইটস্টার ভিসার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুবাই ও আবুধাবির বাসিন্দারা মূলত তিন জায়গায় ভুল করেন। প্রথমত, ব্যাংক ব্যালান্স। আবেদনকারীরা অনেক সময় হঠাৎ বড় অঙ্কের টাকা জমা দেখান, যা সন্দেহের সৃষ্টি করে। ভিসা অফিসাররা নিয়মিত আয় ও ব্যয়ের ধারাবাহিকতা দেখতে চান।

দ্বিতীয়ত, ভ্রমণ পরিকল্পনা। কপি-পেস্ট করা বা অবাস্তব ভ্রমণসূচি আবেদনকে দুর্বল করে তোলে। খুব অল্প সময়ে অনেক দেশ ঘোরার পরিকল্পনাও সন্দেহজনক মনে হতে পারে।

তৃতীয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশে ফেরার প্রমাণ। শুধু চাকরির এনওসি যথেষ্ট নয়; বাসার চুক্তি, পরিবার, দীর্ঘমেয়াদি চাকরি-এসব শক্ত চুক্তি প্রমাণ দরকার।

ব্রাইটস্টার ভিসার সিইও আরিফ শেখ বলেন, 'ভিসা আবেদন আসলে একটি আইনি যুক্তি। কাগজে যেন কোনো অস্পষ্টতা না থাকে-সেটাই আমাদের লক্ষ্য।' তার মতে, সঠিক ব্যাখ্যা, স্বচ্ছ তথ্য ও ভালো কভার লেটার থাকলে প্রত্যাখ্যানও অনুমোদনে রূপ নিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ-ভিসা আবেদনকে শুধু ফরম পূরণের কাজ না ভেবে, একটি শক্ত ও পরিষ্কার ‘কেস’ হিসেবে উপস্থাপন করলেই সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়ে। চ্যানেল24

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়