শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:৪৮ বিকাল
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৯৪ বছর বয়সে মারা গেলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম

হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরাম আর নেই। শনিবার (৪ অক্টোবর) ৯৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। এই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রী ছিলেন স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতা ভি শান্তরামের স্ত্রী।

বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মহারাষ্ট্রের তথ্য-প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আশিস শেলার।

ইন্সটাগ্রামের এক পোস্টে তিনি লেখেন, “আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি! ‘পিঞ্জরা’ সিনেমার প্রসিদ্ধ অভিনেত্রী সন্ধ্যা শান্তরামজির প্রয়াণের খবর অত্যন্ত দুঃখজনক। হিন্দি ও মারাঠি চলচ্চিত্রে তাঁর অদ্বিতীয় অভিনয় ও নৃত্যশৈলী এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছিল। তাঁর ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘দো আঁখেন বারাহ হাত’ ও বিশেষ করে ‘পিঞ্জরা’ ছবির অভিনয় দর্শকদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ঈশ্বর তাঁর আত্মার চিরশান্তি দান করুন।

‘মুম্বাই তাক’-এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, সন্ধ্যা শান্তরামের মরদেহ প্যারেলের রাজকমল স্টুডিও থেকে নেওয়া হবে এবং শিবাজি পার্কের বৈকুণ্ঠধামে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

১৯৫১ সালে মারাঠি চলচ্চিত্র ‘ভূপালী’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন সন্ধ্যা শান্তরাম। এরপর ১৯৫৫ সালের মিউজিক্যাল ড্রামা ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’-তে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান তিনি। প্রশিক্ষিত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে তাঁর কথক নৃত্য এবং পর্দায় উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন একের পর এক স্মরণীয় ছবি—‘দো আঁখেন বারাহ হাত’, ‘ঝনক ঝনক পায়েল বাজে’, ‘নাভারং’, ‘সেহরা’ ও ‘পিঞ্জরা— যা আজও দর্শকদের মনে অমলিন। সূত্র: কালের কণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়