শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৭:৪১ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ, বেড়েছে মূল্যস্ফীতি

দেশে আবারও মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে। গত এপ্রিলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশে, যা গত মার্চে ছিল ৮ দশমিক ৭১ শতাংশ। তবে গত বছর এপ্রিলে এই হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। ফলে বছরের হিসাবে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কম থাকলেও মাসভিত্তিক হিসাবে মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী।

আজ বুধবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশে, যা মার্চে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি আরও বেশি বেড়ে ৯ দশমিক ৫৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। গত বছরের এপ্রিলে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি ছিল যথাক্রমে ৮ দশমিক ৬৩ ও ৯ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বিবিএসের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, টানা চার মাস বৃদ্ধির পর গত মার্চে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছিল। তবে এপ্রিলে সেই ধারা ধরে রাখা যায়নি। ফলে গত ছয় মাসের মধ্যে পাঁচ মাসেই মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের ওপরে থাকল।

অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সংঘাতকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি দাম বৃদ্ধির চাপ আরও বাড়িয়েছে। গত ১৯ এপ্রিল সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়। এতে ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পায়। পরিবহন খরচ ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব বাজারে পড়ে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

বিবিএসের হিসাবে খাদ্য মূল্যস্ফীতি তুলনামূলক কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ বেশি। পরিবহন, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য সেবার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এ খাতে মূল্যস্ফীতি দ্রুত বেড়েছে। এদিকে জাতীয় গড় মজুরি হার এপ্রিলে ছিল ৮ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির তুলনায় কম। ফলে প্রকৃত আয়ের চাপ আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মূল্যস্ফীতি বাড়ায় সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর চাপ বাড়ছে। বাজারে শাকসবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। তবে চালের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, আয় বৃদ্ধির তুলনায় ব্যয় দ্রুত বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যা জীবনযাত্রার মানে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়