শিরোনাম
◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

প্রকাশিত : ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:০৬ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মার্কিন ট্যারিফে চাপে দেশের পোশাকখাত

ইউরোপ ও আমেরিকার অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং সেখানকার নাগরিকদের কেনাকাটার কমে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদেশি বায়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর মার্কিন ট্যারিফ পরিশোধ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতা এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনসংক্রান্ত রাজনৈতিক উত্তেজনা। ফলে গার্মেন্টসের অর্ডার ক্রমশ কমছে।

চলতি অর্থবছরের ৬ মাসের মধ্যে জুলাই মাসে রেকর্ড ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি পর পরেই মার্কিন ট্যারিফ জটিতার কবলে পড়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টর। আপাতত ট্যারিফ সংকটের সমাধান হলেও পরবর্তী বাকি ৫ মাসে রফতানি আয় কমার সঙ্গে সঙ্গে প্রবৃদ্ধিও কমেছে।

এরমধ্যে সবশেষ ডিসেম্বর মাসে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিজিএমইএর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ট্যারিফ ঘোষণার পর থেকেই অর্ডার কমতে শুরু করেছে।
 
বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ৭ দশমিক ৮৩ মার্কিন ডলার, যুক্তরাজ্যে ১ দশমিক ৮৪ মার্কিন ডলার এবং অপ্রচলিত বাজারের দেশে ২ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ।
  
প্রথম পর্যায়ে ট্যারিফ জটিলতা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বায়ার প্রতিষ্ঠানগুলো অর্ডার দেয়ার ক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতিতে চলছে বলে দাবি বিজিএমইএর। বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিক চৌধুরী বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা এবং সামনে নির্বাচন থাকায় বায়াররা সম্ভাব্য লোকসানের আশঙ্কায় বাংলাদেশে অর্ডার কমিয়ে অন্য দেশে তা বাড়িয়ে দিয়েছে।
 
অবশ্য বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের অর্ডার কমার ক্ষেত্রে আরও বেশ কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। এর মধ্যে ইউরোপ-আমেরিকার মতো ক্রেতা দেশগুলোতেও চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতাও অন্যতম কারণ। ফলে সেখানকার নাগরিকদের কেনাকাটাও সীমিত হয়ে আসার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে।
 
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের চেয়ারম্যান এসএম আবু তৈয়ব বলেন, ইউরোপ অথবা অন্যান্য বাজারগুলোতেও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ক্রেতারা কম কিনছে, যা সরাসরি বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতকে প্রভাবিত করছে।
 
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা মোট ৩৯ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছিলেন। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে নানা সংকটের মধ্যেও এগিয়ে চলেছে খাতটি। ব্যবসায়ীরা আশাবাদী, মার্কিন ট্যারিফ ও অন্যান্য জটিলতা কাটিয়ে আগামীতে গার্মেন্টস সেক্টর আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়