শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:২৯ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের দুর্বল ব্যাংক কিনতে চীনকে প্রস্তাব, সহজ হবে লেনদেন, কমবে ডলারের চাপ (ভিডিও)

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে প্রতি বছর প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার বিশাল বাণিজ্য চললেও দেশে এখন পর্যন্ত কোনো চীনা ব্যাংক নেই। ফলে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের টাকা থেকে ডলার এবং ডলার থেকে ইউয়ানে রূপান্তর করতে গিয়ে কয়েক ধাপে বাড়তি মাশুল গুনতে হচ্ছে। এই জটিলতা কাটাতে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সহজ করতে বাংলাদেশের একটি দুর্বল ব্যাংক কিনে নিতে চীনকে প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিসিসিআই)।

বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে পণ্য কিনতে হলে বাংলাদেশকে প্রথমে দেশীয় মুদ্রা টাকাকে ডলারে এবং পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দেশের মুদ্রায় রূপান্তর করতে হয়। এতে একাধিকবার চার্জ দিতে হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে পণ্যের খুচরা মূল্যে। বাংলাদেশের মোট আমদানির প্রায় ২৫ শতাংশই আসে চীন থেকে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে ১৬.৬৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হলেও দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৭১৫.৩৭ মিলিয়ন ডলার। এই বিশাল বাণিজ্য ঘাটতির মাঝেও চীনা ব্যাংক না থাকায় আমদানিকারকরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী মনে করেন, চীনা ব্যাংক থাকলে এলসি (LC) খোলা ও অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে চলমান চীনা অর্থায়নের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর লেনদেনও অনেক সহজ হবে।

বাংলাদেশ-চায়না চেম্বারের সভাপতি মোহা. খোরশেদ আলম একটি ভিন্নধর্মী প্রস্তাব সামনে এনেছেন। তিনি জানান:

“বাংলাদেশে চীনের ব্যাংক থাকলে এলসিতে খরচ অন্তত ১ শতাংশ কমবে। আমাদের বর্তমানে ২০টি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা নাজুক। চীন চাইলে এখান থেকে যেকোনো একটি দুর্বল ব্যাংক কিনে নিতে পারে। এতে কারিগরি দক্ষতাও বাড়বে।”

অর্থনীতিবিদরা এই প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, সরাসরি চীনা ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন হলে ডলারের ওপর নির্ভরতা কমবে। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এম এম আকাশ বলেন:

“এখানে চাইনিজ ব্যাংক থাকলে এবং তারা আমাদের ন্যাশনাল রেগুলেশনের চেয়ে ভালো রেগুলেশনে মূলধন দিতে পারে, তবে সম্ভবত এটি আমাদের ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা থেকে মুক্তির একটি উপায় হবে।”

আর্থিক খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চীন যদি এই প্রস্তাবে সাড়া দেয়, তবে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে নতুন মূলধনের সরবরাহ বাড়বে এবং ডলার সংকটের এই সময়ে বৈদেশিক বাণিজ্যে স্বস্তি ফিরবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়