শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:৫০ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্বের সবচেয়ে দামী মসলা *ভ্যানিলা বিন* উৎপাদন হচ্ছে বগুড়ায়!

আমাদের কাছে পরিচিত ভ্যানিলা এসেন্স মূলত কৃত্রিম। অথচ প্রকৃত ভ্যানিলা হলো এক ধরনের ফল, যা বরবটি বা শিমের মতো দেখতে। এটি জন্মায় অর্কিডজাতীয় গাছে। ইন্দোনেশিয়া, ভারতসহ কয়েকটি দেশে ভ্যানিলার বাণিজ্যিক চাষ হলেও বাংলাদেশে এর গবেষণামূলক চাষ শুরু হয় মাত্র তিন বছর আগে।

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামী মসলা *ভ্যানিলা বিন* উৎপাদনে বড় সাফল্য পেয়েছে বগুড়ার মসলা গবেষণা কেন্দ্র। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি ফল এসেছে পরীক্ষামূলকভাবে রোপণ করা গাছে। গবেষকরা বলছেন, এই সাফল্যের ফলে বাংলাদেশে কৃত্রিম ভ্যানিলা এসেন্স আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং ভবিষ্যতে বিদেশে রপ্তানির সুযোগও তৈরি হবে।

এবার বগুড়ার গবেষণা কেন্দ্রে এসেছে থোকায় থোকায় ভ্যানিলা বিন। বিশ্ববাজারে বর্তমানে এক কেজি ভ্যানিলা বিনের দাম ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। ফলে এ মসলার বাণিজ্যিক সম্ভাবনা ব্যাপক বলে মনে করছেন গবেষকরা।

গবেষক আবু হেনা ফয়সাল ফাহিম জানালেন—পাঁচ থেকে ছয় ধরনের ভিন্ন লাইন নিয়ে তিনি কাজ করছেন। এর মধ্যে ভারতের একটি লাইন ও ইন্দোনেশিয়ার একটি লাইনে সফলভাবে ফল ধরেছে। তবে ভ্যানিলা চাষ খুবই শ্রমসাপেক্ষ। ফুল ফোটার পর প্রতিটি ফুলকে হাতে পরাগায়ন করতে হয় সকাল ১২টার মধ্যে। এভাবে সফল পরাগায়নের পরই বিন পাওয়া সম্ভব।

এরই মধ্যে ভ্যানিলা বিন থেকে এসেন্স তৈরির পরীক্ষাও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রক্রিয়ায় বিনগুলোকে গরম পানির ট্রিটমেন্ট দেওয়া হয়, এরপর দুই মাস ধরে ধীরে ধীরে রোদে শুকানো হয়। শুকানোর পর ভ্যানিলা কালচে রঙ ধারণ করে এবং এর ভেতরের নরম অংশ থেকে তৈরি হয় প্রাকৃতিক এসেন্স। একটি বিন থেকেই পাওয়া যায় প্রায় এক টেবিলচামচ ভ্যানিলা এসেন্স।

বিশ্বের ভ্যানিলা উৎপাদনের ৫৮ শতাংশই ইন্দোনেশিয়ায় হয়। কিন্তু বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত ভ্যানিলা এসেন্সের বেশিরভাগই কৃত্রিম, যা কেমিক্যালযুক্ত। বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ভ্যানিলা চাষ সম্ভব হলে কৃত্রিম ভ্যানিলা ব্যবহার কমবে এবং দেশি ভ্যানিলা বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে বলে আশা গবেষকদের।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়