শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৬, ১০:১০ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিন্ডিকেটের থাবায় ধানের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা

রাজশাহীসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে এবার বোরোর ভালো ফলন হলেও কৃষকের মুখে হাসি নেই। কষ্টে ফলানো ধানের প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না তারা। প্রতি বিঘা বোরো আবাদে খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। এ ছাড়া ধান কাটা ও মাড়াই করে ঘরে তুলতে আরও ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। সবমিলিয়ে বিঘাপ্রতি কৃষকের মোট খরচ পড়েছে ২৬ থেকে ২৭ হাজার টাকা।

কৃষক ও কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিঘায় বোরোর ফলন হচ্ছে ২০ থেকে ২২ মণ। চলতি বাজারে প্রতি মণ ১ হাজার ১২০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা করে ধান বেচে কৃষক বিঘায় পাচ্ছেন ২৪ হাজার ৫০০ থেকে ২৫ হাজার ৫০০ টাকা। ফলে প্রতি বিঘায় কৃষকের ক্ষতি হচ্ছে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা। ধানের জাতভেদে লোকসানের পরিমাণ আরও বেশি। রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কৃষক ফারুক হোসেন বলেন, এবার তিনি সাড়ে তিন বিঘা জমিতে উফশী জাতের বোরো চাষ করেছিলেন। কাটা-মাড়াই শেষে সাড়ে তিন বিঘায় বোরো পেয়েছেন ৭৩ মণ। জমি তৈরি, বীজ, সার, সেচ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি মিলিয়ে খরচ হয় ৭৮ হাজার টাকা। ধান পাকার পর কাটা ও মাড়াই করে ঘরে তুলতে বিঘাপ্রতি ৭ হাজার টাকা করে শ্রমিকদের সঙ্গে চুক্তি হয়। বোরো কেটে তুলতে সাড়ে তিন বিঘায় শ্রমিকের মজুরি বাবদই দিতে হয়েছে নগদ ২৫ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে সাড়ে তিন বিঘায় তার খরচ হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার টাকা। তিনি আরও বলেন, কেশরহাট মোকামে বর্তমানে বিআর-২৮ জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা মণ দরে। সাড়ে তিন বিঘায় পাওয়া ৭৩ মণ ধানের বর্তমান মোট বাজারমূল্য ৯১ হাজার ২৫০ টাকা। সাড়ে তিন বিঘায় তার লোকসান ১১ হাজার ৭৫০ টাকা।

এ ছাড়া নওগাঁর মান্দা উপজেলার ঠাকুরমান্দা গ্রামের কৃষক আবদুর রাজ্জাক জানান, আগে এ অঞ্চলের সবখানেই ধানের চাতাল ছিল। চাতাল মালিকরা সরাসরি হাটবাজার থেকে কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনতেন। চাল তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করতেন। কিন্তু গত কয়েক বছরে চালের সিংহভাগ বাজার কয়েকটি বড় কোম্পানির দখলে চলে গেছে। রাজশাহী, নওগাঁ, বগুড়াসহ ধানপ্রধান এলাকার শত শত চাতাল বন্ধ হয়েছে লোকসানের মুখে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে চাতাল মালিকরা তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন। এখন চাতাল উঠে যাওয়ায় বড় বড় কোম্পানির এজেন্টদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন উত্তরাঞ্চলের লাখো কৃষক।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়