শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৬, ০৭:৫৯ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‎লালমনিরহাটে কোমলমতি শিশুদের জন্য আধুনিক ও সৃজনশীল শিক্ষাদান কার্যক্রমের সূচনা

‎​লালমনিরহাট প্রতিনিধি : ‎​লালমনিরহাটে কোমলমতি শিশুদের জন্য বিশ্বমানের শিক্ষাপদ্ধতির আদলে এক আধুনিক ও সৃজনশীল শিক্ষাদান কার্যক্রমের সূচনা করা হয়েছে। শিশুদের কাছে স্কুলকে ভীতিমুক্ত এবং আনন্দময় করে তোলার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

‎​মঙ্গলবার (৫ মে) লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার, শিক্ষার্থী-অভিভাবকবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

‎​অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে শ্রেণিকক্ষে প্রথাগত বসার ব্যবস্থার পরিবর্তে গোল টেবিলভিত্তিক আসন বিন্যাস চালু করা হয়েছে। এর ফলে শিশুরা একে অপরের মুখোমুখি বসে পড়ার সুযোগ পাবে। আয়োজকদের মতে, এই পদ্ধতির ফলে শিশুদের মধ্যে ​পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মনোভাব তৈরি হবে। ​দলগত কাজের মানসিকতা বৃদ্ধি পাবে। ​সামাজিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত হবে।

‎​ব্যতিক্রমী ক্যানটিন ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

‎​শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক বিকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যালয়ে একটি ব্যতিক্রমধর্মী ক্যানটিন স্থাপন করা হয়েছে। এখানে কেবল খাবার সরবরাহ নয়, বরং প্রশিক্ষিত স্টাফদের তত্ত্বাবধানে শিশুদের স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। ছোটবেলা থেকেই যেন শিশুরা জাঙ্ক ফুড পরিহার করে সঠিক পুষ্টির প্রতি আগ্রহী হয়, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

‎​প্রধান অতিথির বক্তব্যে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, আমরা চাই শিশুরা আনন্দের সাথে স্কুলে আসুক এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিখুক। ধাপে ধাপে এই কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

‎​উদ্যোক্তারা বিশ্বাস করেন, এই নিরাপদ ও সৃজনশীল পরিবেশ শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে এবং তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত মজবুত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই উদ্যোগকে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদগণ একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়