শিরোনাম
◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:০৫ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুষ্টিয়ায় ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

ফয়সাল চৌধুরী : কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানায় বিয়ের প্রলোভনে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে জনি ওরফে রাজিম (২৮) নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকার জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল) এর বিচারক জয়নাল আবেদীন আদালতে পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত জনি ওরফে রাজিম ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ গ্রামের বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় ও দুজনের মধ্যে গড়ে উঠা সম্পর্কের সূত্রে নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে আসামি জনি ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি রাতে একই উপজেলার বাসিন্দা বাদি তরুণীর বাড়িতে দেখা করেন। এসময় বাদির বাড়িতে বাবা মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগে জনি বাদিকে ধর্ষণ করেন। এরপর থেকে আসামি জনি ওই তরুণীকে বিয়ে করার প্রলোভন দিয়ে অসংখ্যবার ধর্ষণের একপর্যায়ে বাদি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি পারিবারিকভাবে জানাজানি হলে আসামি জনিকে বিয়ে করার জন্য চাপ দেওয়া হয়।

এ সময় আসামি জনি নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে প্রমোশন নিয়ে তার অফিসে ঘুষ দেওয়ার কথা বলে ৮ লাখ টাকা দাবি করেন বাদির পরিবারের কাছে। এতে একমাত্র কন্যার জীবনকে সুখী করার কথা ভেবে বাদি প্রবাসী পিতা আসামির দাবিকৃত টাকাও দেন। এরপর থেকে আসামি বাদি বা তার পরিবারের সাথে সম্পূর্ণরূপে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং বাদির গর্ভে তার সন্তান নয়, বাদি চরিত্রহীন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন আসামি।

ইতোমধ্যে ২০২৩ সালের ২ মার্চ আসামির ঔরসে বাদির গর্ভে একটি পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে। এতে উপায়ান্তর না পেয়ে ২০২৩ সালের ২২ জুনে বাদি কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি নালিশি মামলা করেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে এজাহারভুক্ত একমাত্র আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়। ভেড়ামারা থানার এসআই মিন্টু মিয়া ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাড. আব্দুল মজিদ। 

তিনি জানান, আসামি জনি ২০২৩ সালের ১৫ জুলাই পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবাসে ছিলেন। পরবর্তীতের জামিনে বেরিয়ে অদ্যাবধি পলাতক আছেন বলেও জানান এই রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়