শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৪ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইজারাকৃত জমির পটল গাছ ট্রাক্টরে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের আহাজারি

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলি ইউনিয়নের সন্তোষপুর গ্রামে এক কৃষকের ইজারাকৃত জমির পটল গাছ ট্রাক্টর দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জমির মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বশির উদ্দিন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

ঘটনাটি শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বশির উদ্দিন সন্তোষপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের ছেলে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাপাড়া এলাকার মৃত নুরুল ইসলাম খানের এক বিঘা জমি প্রতি বছর ২০ হাজার টাকায় ইজারা নিয়ে চাষাবাদ করে আসছিলেন।

সম্প্রতি জমির মালিক নুরুল ইসলাম খানের মৃত্যুর পর তার চার ছেলে—মামুন খান, মিজানুর, মোস্তাক ও রাসেলের মধ্যে জমি বণ্টন নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত শুক্রবার মিজানুর ও মোস্তাক ট্রাক্টর দিয়ে জোরপূর্বক বশির উদ্দিনের পটলের মাচা গুঁড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এতে কৃষকের প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী বশির উদ্দিন বলেন, “আমি গরিব মানুষ। অনেক কষ্ট করে পাঁচ বছর ধরে এই জমি ইজারা নিয়ে চাষ করি। পটল ধরেছে—আর কিছুদিন সময় দিলে ফসল তুলে জমি বুঝিয়ে দিতাম। কিন্তু তারা আমার কথা না শুনে ট্রাক্টর দিয়ে সব গুঁড়িয়ে দেয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় মিজানুর ও মোস্তাকের সঙ্গে স্থানীয় মুক্তার গাজী, ওসমান, রশিদ গাজী ও মাছিরুলও জড়িত ছিলেন।

কৃষকের ভাই মোতালেব হোসেন বলেন, “চাষাবাদই আমাদের একমাত্র ভরসা। মালিকপক্ষের পারিবারিক বিরোধের কারণে আমাদের এত বড় ক্ষতি হলো। আমরা ক্ষতিপূরণ ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সোলায়মান শেখ জানান, “এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়