শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪৪ রাত
আপডেট : ১১ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রিজ ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগে ৫০ হাজার মানুষ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের বেরীগাঁও ব্রিজ ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে তিনটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। স্থানীয়রা দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, পাকিস্তান আমলে বৃহত্তর রঙ্গারচর ইউনিয়নের মানুষের সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ প্রায় ৭০ বছর পর প্রাচীন এই ব্রিজটি গত রমজান মাসে ভেঙে পড়ে। এতে সুরমা, জাহাঙ্গীরনগর ও রঙ্গারচর ইউনিয়নের মানুষজন ও যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ সালের শুরুর দিকে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়লে সাময়িকভাবে সংস্কার করা হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা টেকেনি। বর্তমানে ব্রিজটি স¤পূর্ণ ভেঙে যাওয়ায় চলাচল একেবারেই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বিকল্প হিসেবে প্রায় দুই কিলোমিটার ঘুরে জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মঙ্গলকাটা বাজারে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, গত ৩০ বছর ধরেই ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। বিষয়টি বিভিন্ন সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। এতে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, নারী ও পুরুষসহ রোগীদের চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে।

পথচারী শাহরুখ মিয়া বলেন, দুই কিলোমিটার ঘুরে আসা-যাওয়ায় যানবাহন ভাড়াও বেড়েছে। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ বন্ধ আমাদের। সহজে শহরে আসা-যাওয়া করতে পারছি না আমরা।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান বলেন, ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় আমাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। এখন দুই কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা জরুরি।
সুহেল আহমদ বলেন, সুরমার উত্তরপাড় দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। আমরা বারবার জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করলেও আমাদের সমস্যার কোনো সমাধান হয়নি।

জাহাঙ্গীরনগর ইউপি চেয়ারম্যান রশিদ আহমদ বলেন, ব্রিজটি এলাকার মানুষের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম ছিল। এটি ভেঙে পড়ায় জনভোগান্তি বেড়েছে। দ্রুত নতুন ব্রিজ নির্মাণ করা হলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বেরীগাঁও এলাকায় ভেঙে যাওয়া ব্রিজের পাশে মানুষ ও যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে অতি দ্রুত স্ল্যাব পার্ট ব্যবহার করে বেইলি ব্রিজের আদলে একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে নতুন ব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি ইতোমধ্যে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়