শিরোনাম
◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর ◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৪৮০০ জনকে প্রত্যাবাসনের দাবি, নতুন তথ্য দিলেন শুভেন্দু ◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৭:১৬ বিকাল
আপডেট : ২৫ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে কৃষি অফিসের উদ্যোগে শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন, লাভের আশায় কৃষকরা

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) : জীবননগর উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগে শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনে উৎসাহ দিতে উপজেলার ২০ জন কৃষকের মাঝে প্রদর্শনী কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেক কৃষককে ১৬০ কেজি করে পেঁয়াজের কন্দ (বাল্ব) সরবরাহ করা হয়েছে, যা ২০ শতক জমিতে চাষের জন্য দেওয়া হয়।

উপজেলার সুবলপুর গ্রামের কৃষক মোঃ হুমায়ুন কবির জানান, “প্রথমে আমরা কৃষি অফিস থেকে দেওয়া কন্দ নিতে আগ্রহী ছিলাম না। পরে তাদের অনুরোধে চাষ শুরু করি। এখন দেখা যাচ্ছে, ২০ শতক জমিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং প্রায় ৮০ কেজি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের আশা করছি।”

তিনি আরও বলেন, “বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির পেঁয়াজ বীজ ১২ থেকে ১৬ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। আমাদের উৎপাদিত বীজ যদি ২ হাজার টাকা কেজিতেও বিক্রি হয়, তাহলে ২০ শতক জমি থেকে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি আয় করা সম্ভব। এতে আমরা বেশ লাভবান হব।”

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, “বাজারে বেসরকারি কোম্পানির বীজের দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ কারণে সরকারিভাবে আমরা ২০ জন কৃষকের মাঝে কন্দ,রাসায়নিক সার,বালাইনাশক ও বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণ করেছি, যাতে তারা নিজেরাই বীজ উৎপাদন করতে পারেন।”

তিনি আরও জানান, “প্রথমদিকে কৃষকরা কিছুটা অনাগ্রহী থাকলেও এখন বীজ উৎপাদনের ফলাফল ভালো হওয়ায় তারা আশাবাদী। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো কৃষকদের যেন বাইরে থেকে উচ্চমূল্যে বীজ কিনতে না হয়। এজন্য  বীজ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে।”

কৃষি অফিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা গেছে এবং ভবিষ্যতে এ কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়