শিরোনাম
◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল ◈ এলডিসি উত্তরণের প্রভাব: ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর ◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত ◈ ‘অনেক হয়েছে, এবার শেষ করা যাক’: সরাসরি সম্প্রচারে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, সাক্ষাৎকার ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন ◈ বাজেট ২০২৬-২৭: উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেলে টিআইএন, করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব

প্রকাশিত : ২২ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪১ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা দেখতে হাজারো মানুষের উপচেপড়া ভিড়

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জে আশির দশকের গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী জমজমাট দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় এ খেলা দেখতে সমবেত হয় বিভিন্ন বয়সি হাজারও মানুষ।

রবিবার (২২ মার্চ) বিকেলে করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ইউনিয়নের খিরারচর বাজার সংলগ্ন মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কাদিরজঙ্গল  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফ উদ্দিন আহমেদ কনকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ভিপি সুমন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সোহাগ মিয়া।

বড়চর যুব জাগরণ স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এই খেলায় বড়চর ও খিরারচর গ্রামের খেলোয়াড়েরা দুভাগে বিভক্ত হয়ে হলুদ দল ও  লাল দল নামে অংশগ্রহণ করে। এতে হলুদ দল ৯-৬ পয়েন্টের ব্যবধানে বিজয়ী হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ ঐতিহ্যবাহী এ খেলা উপভোগ করে। খেলা শুরু হলে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে উপস্থিত হাজারও দর্শক।

আয়োজক কমিটির সদস্য শিহাব উদ্দিন জানান, দাঁড়িয়াবান্ধা খেলাটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলা। তবে এখন বিলুপ্তপ্রায়। এখনকার তরুণ প্রজন্মের কাছে এ খেলাকে পরিচিত করতে এবং ঈদ পরবর্তী আনন্দ উপভোগ করতে একসময়ের অতি পরিচিত গাঁও-গেরামের ঐতিহ্যবাহী দাঁড়িয়াবান্ধা খেলার আয়োজন করা হয়।

অন্য গ্রাম থেকে খেলা দেখতে আসা মনিরুজ্জামান ও রইছ উদ্দিন বলেন, একসময় গ্রামাঞ্চলের পথে-ঘাটে, মাঠে বা রাস্তার পাশে সব বয়সি মানুষ এই খেলায় মেতেছে। হৈ চৈ আর আনন্দ উৎসবে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত চলত এই খেলা।

দর্শনার্থী ওমর মাহমুদ ফারুক বলেন, এখন আর দেখা যায় না গাঁও-গেরামের ঐতিহ্যবাহী দাঁড়িয়াবান্ধা খেলা। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে এই খেলাটি। আর তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে গ্রামাঞ্চলের পুরোনো সংস্কৃতি তুলে ধরে ফ্রি ফায়ার ও পাবজীর মতো ভয়ংকর সংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত করতে ঐতিহ্যবাহী এই খেলার আয়োজন করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আজিজুল ইসলাম বলেন, হারিয়ে যাওয়া খেলাকে আমরা বাঁচিয়ে রাখতে চাই। আর এই খেলার মধ্যে রয়েছে নির্মল আনন্দ। এখন অপসংস্কৃতি গ্রাস করছে যুবসমাজকে। তাদের প্রকৃত সংস্কৃতিতে ফিরিয়ে আনতেই এই গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী খেলার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি সাইফুল ইসলাম ভিপি সুমন আলোচনায় বলেন, এসব খেলা আজ কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে। আর তাই বর্তমান প্রজন্মের কাছে গ্রামাঞ্চলের পুরোনো খেলাধুলা তুলে ধরে ফ্রি ফায়ার ও পাবজীর মতো ভয়ংকর সংস্কৃতির প্রভাব থেকে মুক্ত করতে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার খেলার বিকল্প নেই। সে ক্ষেত্রে আমাদের সবার এগিয়ে আসতে হবে। প্রতি বছর এ ধরনের খেলার আয়োজন করা উচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়