শিরোনাম
◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল ◈ এলডিসি উত্তরণের প্রভাব: ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:১৯ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাংসের আশায় টাকা জমা, শেষমেশ উধাও সমিতির পরিচালকরা

ঈদকে সামনে রেখে মাংস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বছরজুড়ে সঞ্চয়ের নামে প্রায় ৭৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করে উধাও হয়ে গেছে একটি সমবায় সমিতির পরিচালকরা। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়া শহরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকায়।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে নির্ধারিত দিনে মাংস নিতে এসে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগীরা। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন প্রায় ১২০০ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মালগ্রাম নতুনপাড়া এলাকার আব্দুল হাকিম, আকরাম ও শাহিন নামের তিন ব্যক্তি ফোর স্টার বিজনেস সমবায় সমিতি নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। তারা ঈদ উপলক্ষে সারা বছর সাপ্তাহিক কিস্তিতে টাকা জমা নিয়ে শেষে মাংস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সমিতির সদস্যদের দাবি, প্রতি কার্ডের মূল্য ছিল ৫ হাজার টাকা। অনেক পরিবার একাধিক কার্ড নেওয়ায় মোট প্রায় ৭৭ লাখ টাকা জমা পড়ে। তবে নির্ধারিত দিন ১৫ মার্চ মাংস বিতরণ না করে তারা সময় পরিবর্তন করে ১৭ মার্চ নির্ধারণ করে। কিন্তু ওই দিনও তারা উধাও হয়ে যান।

চাপড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা পারুল বলেন, অনেক কষ্ট করে প্রতি সপ্তাহে ১০০-১৫০ টাকা করে জমা দিতাম, যেন ঈদে পরিবার নিয়ে ভালোভাবে কাটাতে পারি। কিন্তু এখন সব শেষ।

অন্য ভুক্তভোগী আখলি বেগম জানান, ১০-১২ কেজি মাংস পাওয়ার আশা ছিল। এখন শুনছি তারা পালিয়েছে। এই ঈদে হয়তো মাংসই খেতে পারব না।

ঘটনার পর সমিতির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্টেডিয়াম ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগীদের থানায় অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত তাদের সঞ্চিত টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উৎস: আরটিভি অনলাইন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়