শিরোনাম
◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে! ◈ দে‌শের বিপর্যস্ত জনগণ ফে‌লে রাজনী‌তি থে‌কে বিশ্রা‌মে যা‌বো না: 'এই সময়' অনলাইনে শেখ হা‌সিনার সাক্ষাৎকার ◈ ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক: আস্থার সংকট কতটা গভীর? ◈ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার ঘোষণা ইরানের, টোল নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্ত ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা মেসিনির্ভর দল নয়: কোচ ◈ ‘৪,৮০০ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়নি’, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দাবির জবাবে বিজিবি ◈ প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ওলিসের হ্যাটট্রিক, আয়ারল‌্যান্ড‌কে ৩-১ গো‌লে হারা‌লো ফ্রান্স ◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৪৩ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডে দ্বগ্ধ একজনের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের কলাতলীর এন আলম গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দ্বগ্ধ আবু তাহের ৩ দিন পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাষ্টিক সার্জারী বিভাগে চিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন।

রবিবার দুপুর আড়াই টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন নিহতের প্রতিবেশী আদর্শ গ্রাম সমাজ কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন।

আবু তাহের (৪২) কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শ গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক।

তিনি গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বাড়ির পাশের এন আলম গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দ্বগ্ধদের একজন।

নাছির উদ্দিন জানান, ঘটনায় আগুনে দগ্ধ সহ আহত হন ১৫ জন। এর মধ্যে ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ভর্তি প্রেরণ করা হয়েছিল। তাদের একজন আবু তাহের। চট্টগ্রামে তার অবস্থান অবনতি হলে স্বজনরা তাকে ঢাকা নিয়ে যায়। রবিবার দুপুরে মৃত্যুর বিষয়টি স্বজনরা জানান। মরদেহ কক্সবাজারে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন জানান,আগুনে দ্বগ্ধ একজন ঢাকায় মৃত্যুর বিষয়টি অবহিত হয়েছে। মরদেহ কক্সবাজারে আসার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস নির্গত (লিকেজ) হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আবার আগুন ধরে যায়।

বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের ঘরবাড়িসহ নানা প্রতিষ্ঠানে। আগুনে ৩০টির মতো গাড়ি, ৪ টি বাড়িসহ নানা অবকাঠামো পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনে দগ্ধ সহ আহত হন ১৫ জন। এর মধ্যে ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ভর্তি করা হয়।

শুক্রবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ জানিয়েছিলেন, গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডে যেখানে চিকিৎসাধিন ৬ জনের মধ্যে আবু তাহের ৯০ শতাংশ, রহিম ৫০ শতাংশ, সিরাজ ৪০ শতাংশ, সাকিব ৩০ শতাংশ, মেহেদি আর মোতাহের ২০ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছে।

আগুনের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) কে প্রধান করে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠণ করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট (এডিএম) মো: শাহিদুল আলম। কমিটি ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়