শিরোনাম
◈ ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিশ্বকা‌পের ফিফা রেফারি ওমর আরতান‌কে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন খলনায়ক হয়ে আস‌তে পারে বজ্রঝড় ◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর ◈ কুমিল্লার নিমসার বাজার এলকায় অটোরিকশা শ্রমিকদের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ ‘শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা’ (ভিডিও) ◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি ◈ আমদানি নিরুৎসাহিত করতে নতুন বাজেটে যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে!

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৩ রাত
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সৌদি থেকে নারী ফিরলেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে, অন্যজন মানসিক ভারসাম্যহীন

বরিশালের এক গৃহকর্মী নারী সৌদ আরব থেকে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে দেশে ফিরে আসেন। চারবার হাতবদলের পর শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া এই নারী বর্তমানে রাজধানীর আশকোনা এলাকার ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে রয়েছেন। তিনি জানান, সৌদিতে কাজ করতে গিয়ে কোনো বেতন পাননি, খেতেও পাননি এবং শুধুমাত্র নির্যাতন সহ্য করেছেন। 

নারীটি ২০২৪ সালে এক দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রথমে একটি অফিসে রাখা হয়, পরে একের পর এক বাড়িতে কাজের জন্য পাঠানো হয়। ভাষাগত সমস্যার কারণে কারও সঙ্গে যোগাযোগও সম্ভব হয়নি। ক্ষুধার জ্বালায় তিনি ডাস্টবিন থেকেও খাবার কুড়িয়ে খেয়েছেন। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে জানতে পারেন, তিন মাসের বেতন আগেই নিয়োগকর্তার কাছে পরিশোধ করা হয়েছে, কিন্তু তিনি কিছুই পাননি।

একপর্যায়ে তিনি মদিনায় পালিয়ে যান, খণ্ডকালীন কাজ করেন এবং পরে মক্কায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। পুলিশি হেফাজতে থাকতে থাকতে জানতে পারেন তিনি অন্তঃসত্ত্বা। অসুস্থ অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির সহকারী পরিচালক শরীফুল ইসলাম হাসান বলেন, দেশের ফিরিয়ে আনা নারীদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট কর্মপদ্ধতি নেই, যা একটি গুরুতর সমস্যা।

এদিকে ১৩ দিন আগে সৌদি থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় দেশে ফেরা আরেক নারীকে পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র না থাকার কারণে স্বজনরা চিনতে পারছিলেন না। পরে পুলিশ ও ব্র্যাকের উদ্যোগে পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

মানবাধিকারকর্মীরা মনে করছেন, বিদেশগামী নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দালাল চক্র বন্ধ করা এবং দেশে ফেরার পর পুনর্বাসন ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়