শিরোনাম
◈ ইউপি নির্বাচনকে ‘টেস্ট কেস’ ভাবছে সরকার, আ.লীগ নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন আলোচনা ◈ ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা করছে সরকার ◈ আগামী বাজেটে স্টার্ট-আপ ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ◈ যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হলো বিশ্বকা‌পের ফিফা রেফারি ওমর আরতান‌কে ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ চলাকালীন খলনায়ক হয়ে আস‌তে পারে বজ্রঝড় ◈ রাশিয়ার শ্রমবাজারে বড় সুযোগ: ১ লাখ বাংলাদেশি নেওয়ার প্রস্তাবে সম্মতি মস্কোর ◈ কুমিল্লার নিমসার বাজার এলকায় অটোরিকশা শ্রমিকদের তাণ্ডব, পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ ‘শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা’ (ভিডিও) ◈ যে কারণে ইসরায়েলে হামলার সময় ইরানের কোনও ক্ষেপণাস্ত্রই ঠেকায়নি যুক্তরাষ্ট্র! ◈ ব্যাংক অনুদানের অডিট ২০১৫-২৪: প্রধানমন্ত্রীর তহবিল ও হাসিনা-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গেছে ১২৪৩ কোটি

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৪৬ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রহ্মপুত্রের তীর কেটে মাটির ব্যবসা, ঝুঁকিতে ডানতীর রক্ষা প্রকল্প

অনিরুদ্ধ রেজা, কুড়িগ্রামঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর কেটে প্রকাশ্যে মাটির ব্যবসা চলছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ব্রহ্মপুত্রের ডানতীর রক্ষা প্রকল্প, আশপাশের গ্রাম সহ আবাদি জমি।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নদীর পাশে অন্তত দুইটি স্থানে তীর কেটে ট্রলিতে মাটি তোলা হচ্ছে। ছবি তুলতে গেলে ১৫ থেকে ১৬টি ট্রলি দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের পুটিমারী ফকিরেরভিটা এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি নদীর তীর থেকে ট্রলিতে করে মাটি কেটে নিয়ে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের ভেতর, ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের সামনে থেকেই প্রতিদিন মাটি কাটা হচ্ছে। এতে নদীর পাড় নিচু হয়ে যাচ্ছে এবং সামান্য পানি বাড়লেই ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, এই তীরটি তাদের গ্রামের সুরক্ষা দেয়। এভাবে মাটি কাটা চলতে থাকলে বর্ষায় পানি বাড়লে পুরো এলাকা নদীতে ভেঙে যেতে পারে।

তারা আরও বলেন, কিছু জমির মালিক অল্প টাকার বিনিময়ে মাটি বিক্রি করছেন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি মাটি কেটে নিচ্ছেন। প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে ট্রলি মালিক রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি ব্যবসা করছেন না, নিজের জমির সামান্য মাটি নিজের কাজে ব্যবহার করছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সবুজ কুমার বসাক জানান, মাটি কাটা বন্ধে কয়েকবার অভিযান চালানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়