শিরোনাম
◈ প্রতি তিনজন স্নাতকের একজন বেকার: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শ্রমবাজার ◈ মাথাপিছু বরাদ্দ ৮ হাজার টাকা বাড়লেও বাড়ছে ঋণের দায় ◈ সস্তায় পেয়ে ৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কিনেছিলেন, পরে জানলেন বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই ◈ বিসিবির প‌রিচালকরা কে কোন ক‌মি‌টির দায়িত্ব পে‌লেন ◈ নির্বাচনের আগে একটি দলকে ইসলামী ব্যাংক ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুশইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে দেড়গুণ বাড়ানো হলো বিজিবি মোতায়েন ◈ ইসলামী ব্যাংক ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ, ব্যাংকটি বিএনপি সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ: অর্থমন্ত্রী ◈ কী থাকবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে যুক্ত হতে যাওয়া নতুন চার বিষয়ের মধ্যে? ◈ ২১ বছরের অপেক্ষার অবসান, নাহিদ-মোসাদ্দেকের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় ◈ এবার বাতিল হ‌লো ইরানের জন্য বরাদ্দ থাকা ‌বিশ্বকা‌পের টিকিটও

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩২ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম

গোপালগঞ্জের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি নেই বললেই চলে। অনেক কেন্দ্রে ধানের শীষ ছাড়া অন্য প্রার্থীর এজেন্ট নেই। এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারে – এমন আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। কারণ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া হলো বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান এবং তার সমাধিস্থলও সেখানে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও ওই জেলা থেকে নির্বাচন করতেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

তিনি আজ সকাল ৭টায় টুঙ্গিপাড়ার ডিমাডাঙ্গা টুঙ্গিপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে জানিয়েছেন, প্রিজাইডিং অফিসাররা সকাল ৭টার আগেই কেন্দ্রে চলে এলেও ভোটার উপস্থিতির হার শূন্যের কাছাকাছি। অথচ এখানে মোট ভোটার ২৫৪০ জন এবং এদের মাঝে নারী ভোটার ১২৪০ জন।

গোপালগঞ্জ-৩ আসনের মোট ভোটার প্রায় তিন লাখ। এবং, গোপালগঞ্জ ১, ২ ও ৩ – এই তিনটি আসনের মোটার ভোটার প্রায় ১০ লাখ। এই পুরো জেলাটিই মূলত আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত অঞ্চল।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন থেকেই শেখ হাসিনা নির্বাচন করতেন এবং আওয়ামী লীগ যতবারই নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, ততবারই তারা এই আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। তাই, ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে এক ধরনের অনাগ্রহ আছে।

আওয়ামী লীগও এখানে ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছে। আওয়ামী লীগের এই ভোট বর্জনের ডাক গোপালগঞ্জেই সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আওয়ামী লীগে পদধারী নেতারা প্রকাশ্যে এসে ভোট বর্জনের মতো কোনো কর্মসূচি দেয়নি। কারণ তাদের অনেকের নামেই মামলা রয়েছে এবং কেউ কেউ জেলে।

তবে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভোট নিয়ে আগ্রহ কম হলেও প্রার্থীদের এজেন্টরা আশা করছেন, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বাড়তে পারে। তারা আশা করছেন, ৫০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি হতে পারে।

গোপালগঞ্জ-৩ আসন ঘুরে বিবিসি সংবাদদাতারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক তৎপরতা দেখতে পেয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়