শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩৬ রাত
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিরাজগঞ্জে কৃষক হত্যা: স্বামী-স্ত্রীসহ ১০ আসামির যাবজ্জীবন

সোহাগ হাসান জয়, সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জে হত্যা মামলায় স্বামী-স্ত্রী-ছেলেসহ ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) দুপুরে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ-১ এর আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন ৬ আসামি উপস্থিতে এই কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেন। বাকি ৪ আসামি পলাতক রয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা আসামীরা হলো, জেলার কামারখন্দ উপজেলার ময়নাকান্দি গ্রামের আবু সাঈদ, তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম, ছেলে মনির হোসেন। একই গ্রামের সোহেল রানা, সাহেব উদ্দিন, শাহজাহান মন্ডল, শফিকুল ইসলাম. এরশাদ শেখ, আবুল কালাম আজাদ ও রমজান আলী।

সিরাজগঞ্জ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহান শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার সুত্রে জানা যায়, কামারখন্দ উপজেলার ময়নাকান্দি গ্রামের কৃষক বদিউজ্জামান নিজ গ্রামের দবির মন্ডলের ছেলে আলমের নিকট থেকে ২০১১ সালে ৩ শতক জমি দলিল মূলে ক্রয় করেন। সেই জমিতে প্রতিবেশি আবু সাঈদ বাড়ি করে জমি দখল করে নেয়। জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য বললে আসামিরা হত্যার হুমকি দেয়। পরে বদিউজ্জামান জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা আরো ক্ষীপ্ত হয়ে উঠে।

পরবর্তীতে বদিউজ্জামান ও আসামি আব্দুস ছাত্তার ইউনিয়ন পরিষদে মেম্বার পদে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে আব্দুস সাত্তার পরাজিত হন। পরাজয়ের জন্য তিনি বদিউজ্জামান দায়ী করেন। জমি সংক্রান্ত ও ইউপি নির্বাচন নিয়ে বদিউজ্জামান ও আসামিদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। ২০১১ সালের ২৪ জুন বদিউজ্জামান জমির কাগজপত্র নিয়ে সকালে আইনজীবীর অফিসে যাওয়ার উদ্যেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে বদিউজ্জামান আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের লোকজন তার সন্ধান করে খোঁজ পায়নি। পরের দিন ২৫ জুন সকালে ময়নাকান্দি সাইফুল ইসলামের ঘুমচী ক্ষেত থেকে বদিউজ্জামানের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পরিবারকে খবর দেয়। পরে তারা ঘটনাস্থলে পৌছে বদিউজ্জামানের মরদেহ সনাক্ত করেন।

পরে নিহতের স্ত্রী রতনা বেগম ওরফে সুফিয়া বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে কামারখন্দ থানায় একটিট হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৯ জানুয়ারি ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে পুলিশ। আদালত আজ এই রায় ঘোষণা করে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়