শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রামুতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিশালাকৃতির ‘বোমা’ উদ্ধার: ১০ বছর ধরে ব্যবহৃত হতো কাপড় ধোয়ার কাজে

কক্সবাজারের রামুতে একটি বোমা সদৃশ বড় আকৃতির বস্তু পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে সেই বস্তুটি নিরাপদ স্থানে সংরক্ষিত করে রেখেছে পুলিশ।

উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের লট উখিয়ারঘোনা তচ্ছাখালী (৮নং ওয়ার্ড) এলাকায় গতকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয়দের দেওয়া খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বোমা সম্ভাব্য বস্তুটি সংরক্ষণ করে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে বস্তুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহার হওয়া অবিস্ফোরিত কিংবা অকার্যকর বোমা বলে মনে করা হচ্ছে। স্থানীয়রা জানিয়ছেন ১০ বছর আগে ওই এলাকায় একটি পুকুরে সেটি পাওয়া যায় এবং পুকুরের পাশে কাপড় ধোঁয়ার কাজে ব্যবহার হয়ে আসছিল।

তিনি বলেন, বোমাটির সংরক্ষণ স্থান নজরদারিতে রয়েছে, সেনাবাহিনীকে অবহিত করা হলে তারা পরিদর্শনে এসেছেন। বোমাটির কার্যকরিতা ও এর মধ্যে বিস্ফোরক রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে, এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

রামুর ইতিহাস গবেষক ও আইনজীবী শিরূপন বড়ুয়া বলেন, বস্তুটির আকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা এবং সেসময়ে এই অঞ্চলে জাপানিরা যুদ্ধকালীন এমন বোমা ব্যবহার করেছে। যদি এর মধ্যে বিস্ফোরক থাকে তাহলে জননিরাপত্তার স্বার্থে নিষ্ক্রিয় করতে হবে এবং না থাকলে সংরক্ষণ করা উচিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মারক হিসেবে। কারণ এটি রামুর ইতিহাসের অংশ।

বোমা সদৃশ বস্তুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকসহ রামুর জনসাধারণের মাঝে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়