শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:২৯ রাত
আপডেট : ২১ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেরপুরে ধানের শীষের প্রার্থীদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে বিদ্রোহীরা 

তপু সরকার হারুনঃ শেরপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন না পাওয়া দুই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নেমে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেলেও তৃণমূল পর্যায়ে তাদের ব্যাপক জনসমর্থন রয়েছে বলে স্থানীয় রাজনীতিক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শেরপুর সদর–১ আসনে বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত যুগ্ম আহবায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার পর তিনি মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এ ঘটনায় দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হলেও মাঠপর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এখনো স্পষ্ট বলে দাবি করছেন সমর্থকরা।

শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনেই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। জনগণ আমার সঙ্গে আছে। ইনশাআল্লাহ তাদের ভোটেই আমি বিজয়ী হবো।”

অন্যদিকে, শেরপুর–৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন সাবেক তিনবারের উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা। তিনিও মটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে রয়েছেন এবং সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

আমিনুল ইসলাম বাদশা বলেন, “জনগণের প্রত্যাশা ও চাওয়ার কারণেই আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। ইনশাআল্লাহ জনগণ আমার পাশে রয়েছে এবং আমি বিজয়ী হবো।”

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হলেও এই দুই প্রার্থীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা নির্বাচনী সমীকরণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে শেরপুরের এই দুটি আসনে ভোটের লড়াই নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে কৌতূহল ও আগ্রহ দিন দিন বেড়েই চলেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়