শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:১১ রাত
আপডেট : ১১ মে, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শ্রমিক লীগ নেতার কোদালের আঘাতে জুলাই যোদ্ধার মা নিহত

কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে শ্রমিক লীগ নেতার কোদালের আঘাতে নিহত হয়েছেন এক জুলাই যোদ্ধার মা। নিহত জুলাই যোদ্ধার মায়ের নাম রেহেনা বেগম (৪৮)। জুলাই গণ অভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর যোদ্ধা ইয়াসীন আরাফাত ছোটন রাজধানী ঢাকার ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন।

রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে বন বিভাগের পাহাড়ি ভূমির সীমানা নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে খুনিয়া পালং ১নং ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সভাপতি জহির আলম কালু কোদাল দিয়ে ওই নারীকে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কোপায়।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত নারীকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রামু থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ কালের কণ্ঠকে জানান, শ্রমিক লীগ নেতা জহির আলম কালু স্থানীয়ভাবে একজন দুর্ধর্ষ অপরাধী হিসাবে পরিচিত। নিহত নারীর সঙ্গে বন বিভাগের জমির সীমানা নিয়ে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। শ্রমিক লীগ নেতা কালুর যোগসাজসে বন কর্মীরা ইতিপূর্বে নিহত নারী রেহেনা বেগমের বিরুদ্ধে বন আইনের মামলাও রুজু করেছিল।

ঘটনার পর পরই শ্রমিক লীগ নেতা জহির আলম কালু পালিয়ে গেছে। খবর পেয়ে রামু থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূইয়া জানান, ‘অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি জানান, মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশি টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। নিহতের মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের মাঝে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়