শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ‌বো‌লিং‌য়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত পাফর‌মে‌ন্সে আইসি‌সি র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাহিদ রানার ◈ শিগগিরই সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ শিল্পখাতের ধীরগতি সত্ত্বেও ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলকে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ১৭ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভাঙ্গায় স্কুলে অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় আ’লীগ নেতা শিক্ষক, বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কালামৃধা গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও আওয়ামী লীগ নেতা মজিবুর হকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, তিনি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একাধিক অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মজিবুর হক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের বড় বড় মেহগনি গাছ কেটে বিক্রির পাঁয়তারা চালান। পাশাপাশি স্কুলের ১৪টি দোকান নামমাত্র ভাড়ায় নিজের ঘনিষ্ঠ লোকজনের কাছে ইজারা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী কানিজ ফাতেমার বেতনের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, সরকারি জমি দখল করে তিনতলা ভবন নির্মাণের অভিযোগও করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তিনি দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, স্কুল পরিচালনা কমিটির সঙ্গে গোপন সমঝোতার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরও জানা যায়, মজিবুর হক শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রথমে আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাফরউল্লাহ এবং পরে নিক্সন চৌধুরীর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করেন। সর্বশেষ তিনি এনসিপিতে যোগ দেন। তার স্ত্রী কালামৃধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এসব রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমেও তিনি প্রভাব খাটাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, সহকারী শিক্ষক (কৃষি) পদে কর্মরত থাকলেও তিনি বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে ঢাকা, মাদারীপুর ও ভাঙ্গার বিভিন্ন থানায় আধা ডজন মামলা রয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে কালামৃধা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিস্ফোরক মামলায় মজিবুর হককে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি কারাগারে থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এদিকে এলাকাবাসী এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়