শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ১০ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাগর খালি, ঘাট নীরব: কক্সবাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট

কক্সবাজারের মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে গত দুই-তিন দিন ধরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া ট্রলার ফিরে আসার সংখ্যা হঠাৎ করে কমে গেছে। ফলে সামুদ্রিক মাছ না আসায় স্থানীয় বাজারে দিয়েছে অস্থিরতা। নদী ও প্রজেক্টের মাছ মিললেও অস্বাভাবিক দামের কারণে ক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের নুনিয়ারছড়াস্থ ফিশারীঘাটে গিয়ে দেখা যায়- বঙ্গোপসাগর থেকে একটি ট্রলারও ঘাটে আসেনি। ফলে ঘাটনির্ভর শ্রমিক-মজুররা অলস সময় পার করছেন এবং পাইকারি ক্রেতারা মাছ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

মৎস্য পেশায় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পৌষে শীতের কারণে সাগরে মাছ ধরা কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে অপেক্ষার পর জেলেরা কাঙ্ক্ষিত মাছ আহরণ করতে পারলে তারপরই ঘাটে ফিরে আসেন জেলেরা।

মোহাম্মদ ফারুক নামে এক ছোট নৌকার মাঝি বলেন,  শীত একটু বেশি, জালে মাছ কম মিলছে। দুই-তিন দিন ধরে কোনো ট্রলার আসেনি, তাই আয়ও হয়নি। আমাদের ছোট নৌকাগুলো নিয়ে আমরা ট্রলারের মাছ পরিবহন করি এতেই আমাদের সংসার চলে।

সাগরকইন্যা নামে স্থানীয় একটি মৎস্য বিপণন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান রিশাদ বলেন, সাগর থেকে ট্রলার না আসায় বাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট দেখা দিয়েছে। প্রচুর চাহিদা স্বত্ত্বেও তাজা সামুদ্রিক মাছ মিলছে না। এই সংকট চলতি সপ্তাহেই বেড়েছে। তবে আশা করি কয়েক দিনের মধ্যে আবারও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

কক্সবাজার ফিশিংবোট মালিক সমিতির তথ্য বলছে, জেলায় মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি। 

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, গভীর সাগরেও শীতের প্রভাব পড়েছে। এখন প্রায় ১ হাজারের বেশি ট্রলার অবস্থান করছে, আশানুরূপ মাছ না উঠাতে তারা ফিরছে না। ট্রলার আসা শুরু করলে সংকট দূর হবে।

সামুদ্রিক মাছ কম থাকায় বাজারেও প্রভাব পড়েছে। ইলিশ, তেলাপিয়া, রুই ইত্যাদি মাছ মিললেও দাম বেশি।

শহরের বাহারছড়া বাজারের ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, বাজারে সামুদ্রিক মাছ নেই বললেই চলে। যা মিলছে নদী-প্রজেক্ট বা অন্য জায়গা থেকে আসা মাছ। দাম অনেক বেশি, ইলিশ তো নাগালের বাইরে একদম। কেজি প্রতি দেড়-দুই হাজারে বিক্রি হচ্ছে। আমরা সামুদ্রিক মাছে নির্ভরশীল। এখন কষ্ট হলেও কিছু করার নেই খেতে তো হবে। সূত্র: ঢাকা পোস্ট

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়