শিরোনাম
◈ শিক্ষাক্রমে বড় পরিবর্তন: বাংলা-ইতিহাসসহ কয়েকটি বিষয় বাদ, যুক্ত হচ্ছে এআই, বিদেশি ভাষা, ফ্রিল্যান্সিং ও কারিগরি শিক্ষা ◈ বিশ্বকাপে রোনালদো না মেসি, কে করবেন বেশি গোল? ভবিষ্যদ্বাণী এমবাপের ◈ ‌ফিফার ঘোষণা, বিশ্বকাপে চোটের অভিনয় করলেই শাস্তি ◈ কর্ণফুলী টানেল: দৈনিক আয় ১১ লাখ কিন্তু ব্যয় সাড়ে ৩৭ লাখ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে যানবাহন চলাচল ৭ গুণ কম ◈ লেবানন ইস্যুতে নেতানিয়াহুর ওপর চরম ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ‘হাতাহাতি’র উপক্রম হয়েছিল বলে দাবি মার্কিন দূতের ◈ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ ঢামেক মর্গের ফ্রিজার এক সপ্তাহ ধরে অচল, ছড়াচ্ছে লাশ পচা গন্ধ ◈ বাংলাদেশিদের জন্য আবার খুলছে মরিশাসের শ্রমবাজার ◈ এনসিটি পরিচালনায় প্রস্তাব দিল দুই এমপির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কনসোর্টিয়াম ◈ জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বারকাত

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪৫ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মামলা এবং ধর্ষণ কারী কে অপ্রাপ্ত বানাতে সংসাদ সম্মেলন

তপু সরকার হারুন, শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা নলকুড়া ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মোঃ রাকিব হোসেন রাব্বি (২১) এর বিরুদ্ধে শেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর ) বিকাল ৪টার দিকে উপজেলার নলকূড়া ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। রাব্বি ওই এলাকার মো: ছাহের আলীর ছেলে।

এঘটনায় ভুক্তভোগীর মা নূরেছা বেগম বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের করার পর থেকেই নূরেছা বেগমকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আসামীর পরিবারের পক্ষ থেকে। এ মামলার তদন্তকে মিথ্যা প্রমানিত করার জন্য গত ২৯ নভেম্বর সাংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের বলেছে আসামী অপ্রাপ্ত বয়স্ক তার জন্ম তারিখ অনুযায়ী বয়স ১৪ বছর ১১ মাস। রাকিব হাসান রাব্বি জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী তার বয়স ২১ বছর।

ভুক্তভোগী ও মামলা সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় গ্রীন সোলজার পাবলিক স্কুলে যাওয়ার পথে বিভিন্ন ভাবে কুপ্রস্তাব দিত রাব্বি । এতে আমার মেয়ে রাজি না হওয়ায় তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিত। গত শুক্রবার (৭নভেম্বর ) বিকেলে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ঘরে ঢুকে আমার মেয়েকে একা পাইয়া জাবরাইয়া ধরে টানা হেচড়া করে পড়নের কাপড় চোপড় ছিড়ে ফেলে। শরীরের বিভিন্ন গোপন স্পর্শকাতর জায়গা হাত দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করলে মেয়ের তার ইজ্জত বাচ্চাতে ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজনের মাধ্যমে রাব্বিকে আটক করে। পরে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এবিষয়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে ঘটনা জানাইলে তিনি কয়েকদিন সময় নেন মিমাংসার জন্য। আসামী পক্ষ মিমাংসার কথা বলে বিভিন্ন টালবাহানা করে সময় ক্ষেপণ করেন। পরে থানায় মামলা করিতে গেলে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন। আদালতে মামলা হওয়ার পর থেকেই তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য স্বাক্ষীদের এবং আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এঘটনায় সুষ্ঠ তদন্তে দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীর মা নূরেছা বেগম।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়