শিরোনাম
◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল ◈ এলডিসি উত্তরণের প্রভাব: ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর ◈ বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে : সংসদে খাদ্যমন্ত্রী ◈ বজ্রপাত ও দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আধুনিক প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে সরকার : সংসদে ত্রাণমন্ত্রী ◈ আফগা‌নিস্তান নাজেহাল, একদিনেই দু’বার অলআউট করে ৩০০ রা‌নে টেস্ট জিতলো ভারত

প্রকাশিত : ১০ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৩ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুলির পারিশ্রমিক না দিয়ে পালালেন যাত্রী, ঘটনাটি নিয়ে যা জানা গেলো

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এক কুলি *বাপ্পিকে নিয়ে হৃদয়স্পর্শী এক ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায়, চলন্ত ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল ধরে দৌঁড়াচ্ছেন বাপ্পি। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, “আল্লাহ আপনার কড়া বিচার করবেন,”— এরপরই তিনি ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল ছেড়ে দেন।

ঘটনাটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের মধ্যে সৃষ্টি করে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়। তবে জানা গেছে, ভাইরাল এই ঘটনার পেছনে রয়েছে এক ভিন্ন গল্প।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এক যাত্রীকে ট্রেনে উঠাতে সাহায্য করেছিলেন বাপ্পি। তিনি যাত্রীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন— ট্রেনে উঠিয়ে দেবেন, আর যাত্রী তাকে কিছু পারিশ্রমিক দেবেন। যাত্রীও খুশি হয়ে শুরুতে ১০ টাকা, পরে ৫০ টাকা দিতে চান। কিন্তু বাপ্পি দাবি করেন ২০০ টাকা, কারণ তিনি দূর থেকে দৌড়ে এসে ট্রেন থামিয়ে সাহায্য করেছিলেন।

শেষ পর্যন্ত যাত্রী ২০০ টাকা দিতে রাজি হলেও, ভাংটি না থাকায় টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ট্রেন ছাড়ার পরও বাপ্পি কিছুদূর দৌড়ে ট্রেনের দরজা পর্যন্ত যান এবং টাকা না পেয়ে আক্ষেপ করে বলেন, “ওই যে ৫০ টাকা দিছে, ওইটাই নিছি। বলছি— আল্লাহ আপনারে বিচার করবো। আমি যদি লেজ হইয়া থাকি, তাহলে আমি পামু স্যার।”

এই ঘটনায় অনেকে দিনমজুর বাপ্পির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং ন্যায্য পারিশ্রমিক না দেওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন। তবে কিছু যাত্রী বলছেন, রেলওয়ে স্টেশনে কুলিদের নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক নির্ধারিত না থাকায় প্রায়ই এমন বিরোধের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্টেশন এলাকায় কুলিদের একটি সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে, যারা অনেক সময় যাত্রীদের মালপত্র জোর করে নিয়ে যায় এবং অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে হয়রানি করে।

এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন— “পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি ন্যায়বিচারেরও প্রশ্ন।”

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ  

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়