শিরোনাম
◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা!

প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উৎপাদন বন্ধ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায়, গঠন তদন্ত কমিটি

মাহবুব সৈয়দ, পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি: দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় চার দিন ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

কারখানার একটি সূত্র জানায়, উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ধান ও শাকসবজির ভরা মৌসুমে এই পরিস্থিতি সার সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

কারখানার জিএম (কারিগরি) সরফরাজ খান জানান, উৎপাদন বন্ধের কারণ অনুসন্ধানে তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধের কারণ ও করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জিএম (বাণিজ্য) আতিকুর রহমান খান বলেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। তবে কারখানায় বর্তমানে বস্তা ও খোলা অবস্থায় প্রায় ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। গত অর্থবছরে ৮ লাখ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন।”

কারখানার জিএম (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম বলেন, “উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও দ্রুতই পুনরায় চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকায় তাত্ক্ষণিক কোনো সার সংকট হবে না।”

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত এই সার কারখানাটি ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার। গত অর্থবছরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এই কারখানাটি, যা দেশের সার উৎপাদনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়