শিরোনাম
◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৭ দুপুর
আপডেট : ১১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুড়িগ্রামে কমছে নদ নদীর পানি, ১৮শ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত 

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের সকল নদ-নদীর পানি কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর পরেও নদী তীরবর্তী এলাকার নিম্নাঞ্চলের রোপা আমন, শাক সবজি ও মাষকলাই পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। অপর দিকে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদের ১৫টি পয়েন্টে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। এসব এলাকায় গত দুইদিনে প্রায় শতাধিক পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতভিটা। 

৭ অক্টোবর'২৫ মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগ জানায়, গত দুইদিনের বন্যায় প্রায় ১ হাজার ৭৮৭ হেক্টর জমির বিভিন্ন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। 

স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানান, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমার নদের ছোট বড় ১৫টি পয়েন্টে অব্যাহত ভাঙন রয়েছে।

সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের বানিয়া পাড়া এলাকার নুর নবী বলেন, দুধকুমার নদের ভাঙনে বসতভিটা হারালাম। কোনরকমে বাড়ির আসবাবপত্র সরিয়ে নিছি। এখন কোথায় যাবো, চিন্তায় বাঁচি না।

এরশাদুল হক নামের আরও একজন বলেন, চোখের সামনে বাড়ি ভিটা নদীতে গেলো কিছুই করতে পারলাম না। নিজের আর জমিজমা বলতে নাই। কোথায় যাবো কি করবো একমাত্র আল্লাহ জানেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,  পানি শুকিয়ে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রনোদনার আওতায় আনা হবে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, নদ নদীর ৪টি পয়েন্টে বালুভত্তি জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে। অনুমোদন পেলে অন্যন্য পয়েন্টেও কাজ করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়