শিরোনাম
◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা! ◈ জেল থেকে ফিরে নানা আলোচনার কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী, সরগরম চুনকা কুঠির ◈ মাদকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নাকি আইন হাতে তুলে নেওয়া? ভাইরাল গণপিটুনির ঘটনায় বিতর্ক ◈ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সেই ‘ডলার’কে নিয়ে ভিন্ন কথা বললেন রামিসার বাবা ◈ আদালতের ঐতিহাসিক রায়: ১৬ দিনে বিচার সম্পন্ন, রামিসা হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড ◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:০৯ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত সাংবাদিক

বাগেরহাট শহরের হাড়িখালী এলাকায় এ এস এম হায়াত উদ্দিন (৪৩) নামে এক সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে বাগেরহাট শহরের উত্তর হাড়িখালীর তিন রাস্তার মোড়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পূর্ব বিরোধের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করলেও সেই বিরোধ কি তা পুলিশ তাৎক্ষনিকভাবে জানাতে পারেনি। তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।

নিহত এ এস এম হায়াত উদ্দিন বাগেরহাট শহরের উত্তর হাড়িখালী এলাকার শেখ নিজাম উদ্দিনের ছেলে। হায়াত উদ্দিন ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের চেতনা নামে একটি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। হায়াৎ উদ্দিন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি সম্প্রতি হয়ে যাওয়া বাগেরহাট পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি মো. মাহমুদ-উল-হাসান রাতে বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে চায়ের দোকানে বসে ছিলেন হায়াত উদ্দিন। হঠাৎ চার পাঁচজন যুবক দুটি মোটরসাইকেলযোগে এসে হায়াতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। খুলনা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকান্ড ঘটে থাকতে পারে। কি কারণে হায়াতকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত করে বলতে হবে।  

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়