শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:৩৭ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাঁকো ভেঙে বিপাকে যশোর-মাগুরার ১৫ গ্রামের মানুষ

আজিজুল ইসলাম, যশোর : যশোরের বাঘারপাড়া ও মাগুরার শালিখা উপজেলার মধ্যে চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো পানির তোড়ে ভেঙে গেছে। এতে দুই উপজেলার অন্তত ১৫টি গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। ভেলায় করে পারাপার হলেও সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধ ও শিশুরা।

স্থানীয়রা জানান, চিত্রা নদীর ওপর স্থায়ী সেতু না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে খানপুর ও হরিশপুর ঘাটে গ্রামের মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার করছিলেন। প্রায় ৪০০ মিটার দীর্ঘ ও ৪ ফুট চওড়া সাঁকোটি ছিলই তাদের একমাত্র ভরসা। এবার বর্ষার পানির তোড়ে সেটি ভেসে যাওয়ায় দুই পাড়ের হাজারো মানুষ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।

বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন কয়েকশ শিক্ষার্থী স্কুল-কলেজে যাতায়াত করত। খানপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ কুমার মণ্ডল জানান, সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় নদীর ওপারের শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে পারছে না। একই সমস্যা পড়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীদের।

খানপুর বাজার কমিটির সভাপতি অশোক বিশ্বাস বলেন, “সপ্তাহে দু’দিন এখানে হাট বসে। শালিখার গ্রামগুলো থেকে কৃষকেরা নৌকা বা সাঁকো দিয়ে পণ্য নিয়ে আসতেন। সাঁকো না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষক জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।”

খানপুর দাখিল মাদরাসার সভাপতি এ এইচ এম আজিজুল ইসলাম বলেন, “শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে। পাশাপাশি দুই পাড়ের মানুষ জমিতে চাষাবাদ করতেও সমস্যায় পড়ছেন। আমরা দ্রুত স্থায়ী সেতু নির্মাণের দাবি জানাই।”

যশোর এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুবুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উপজেলা প্রকৌশলীকে সরেজমিনে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়