শিরোনাম
◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে 

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৬, ০৮:২৮ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শাহ্‌ আলী মাজারে হামলা: কারা জড়িত, উঠছে প্রশ্ন

রাজধানীর মিরপুরের শাহ্‌ আলী বোগদাদীর মাজারে ওরস চলাকালে একদল লোক হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ওই হামলার শিকার জিয়ারতকারী কয়েকজন বলছেন, হামলাকারীরা জামায়াত-শিবিরের লোক। তবে ওই এলাকায় জামায়াত থেকে নির্বাচিত এমপি মীর আহমদ বিন কাসেম (ব্যারিস্টার আরমান) দাবি করেছেন, সেখানে তার দলের কোনো লোক ছিল না, যা ঘটেছে তা ‘পুলিশের মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডের’ অংশ। এ নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারাও ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। সেদিন রাতে মাজার জিয়ারত করতে আসা লোকজন বলছেন, হামলাকারীরা মাজারের ভেতর পর্যন্ত গিয়ে লোকজনকে মারধর করেছে।

তারা বলেন, প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে মাজারে সাপ্তাহিক ওরশ হয়। সেখানে ঢাকা এবং দেশের নানা প্রান্ত থেকে লোকজন আসে। ওরশ চলাকালে হঠাৎ লাঠিসোঁটা হাতে কিছু লোক এসে জিয়ারতকারীদের মারধর শুরু করে। মারধরে আহত এক ব্যক্তি হাতের মোবাইল ফোনে ঘটনার কিছু ছবি দেখিয়ে তিনি বলেন, এই লোকগুলো নেতৃত্ব দিছে, এই যে দেখেন একটা ছেলে। ওরা নেতৃত্ব দিছে। তবে পুলিশ সাদা পোশাকে এখানে অভিযান চালিয়েছে কি না প্রশ্ন করলে তারা না করেন। একজন বলেন, ওই সময় মাজারের গেটের বাইরে পুলিশের চারটি গাড়ি থাকলেও তারা ভেতরে ঢোকেনি।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার মো. মোস্তাক সরকার সাংবাদিকদের বলেন, মাজার এলাকায় পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গেলে সেখানে কিছু উৎসুক মানুষ নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টি করে। পরে পুলিশ সেখান থেকে ফিরে আসে। তবে হামলার সময়ের যেসব ভিডিও ফেসবুকে এসেছে, সেখানে অর্ধশতাধিক লোককে লাঠি হাতে মারধর করতে দেখা গেলেও কোনো পুলিশ দেখা যায়নি। এদিকে দারুস সালাম জোনের সহকারী কমিশনার ইমদাদ হোসেন বিপুল বলেন, মাজারে আমরা অভিযান চালাইনি। রাতে যেটা দেখলাম যে, জামায়াত-শিবিরের পোলাপান মনে হয় ব্যক্তিগত উদ্যোগে অভিযান চালিয়েছে।

শাহ্‌ আলী থানা পুলিশ জানায়, ঘটনা হচ্ছে রওজার পূর্ব পাশে যেখানে শুক্রবারে নামাজ পড়ে, সেই জায়গায় বাইরে থেকে আসা কিছু মহিলা ও পুরুষ মাদুর বিছিয়ে গাঁজা সেবন করতে বসেছিল। তখন মাজারের জিয়ারতকারীরাই তাদের সেখান থেকে সরিয়ে মাজার প্রাঙ্গণ থেকে বের করে দেয়। মিরপুর এলাকার সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত ব্যারিস্টার আরমান ঘটনার সঙ্গে তার দলের নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, সেখানে যা ঘটেছে সেটা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের ফলাফল।

এদিকে, শাহ্‌ আলীর মাজারে হামলার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এ প্রতিবাদ সমাবেশ করেন তারা। প্রতিবাদ সমাবেশে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাজার ও পীরদের ওপর হামলার তদন্ত করে বিচার দাবি করা হয়। এ সময় তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল- ‘মাজারে হামলা হলো যতবার, ধর্ষণ-বলাৎকারে নীরবতা কেন তৌহিদী জনতার’; ‘মাজারে হামলা মানে মুসলিম ঐতিহ্যের ওপর আঘাত। এ সময় ভারতে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানান তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়