শিরোনাম
◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি

প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৬, ১০:১৩ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০০ কোটি টাকা প্রতারণা: অ্যাগ্রো প্রজেক্টের নামে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ১

রাজধানীতে অ্যাগ্রো প্রজেক্ট খুলে প্রতারণা মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা বলছে পুলিশ।

ঢাকার বাসাবো থেকে মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরেছে সিআইডি।

গ্রেপ্তার ৩৩ বছর বয়সি মো. ওবায়েদুল্লাহর ১৪টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়ারও দাবি করেছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প খুলে বেশি লাভের আশা দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চক্রটি বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তারা বলেছিল, ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা লাভসহ আসলের সমপরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ৩৩ মাসে বিনিয়োগকৃত মূলধন দ্বিগুণ হবে।

প্রতারণার অভিযোগে করা একটি মামলার প্রসঙ্গ টেনে সিআইডি বলেছে, ২০২৩ সালের মে মাসে তিনজন কুড়িলে ‘নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্টের’ অফিসে গিয়ে ১৭ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। প্রথম দিকে লাভের ৪২ হাজার টাকা ফেরত পেয়ে একই বছরের জুলাই মাসে তারা আরো ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন।

“পরে প্রতারক চক্রের সদস্যরা তিনজনকে ‘বাধ্যতামূলকভাবে প্রজেক্টে প্লট ক্রয়ের কথা বলে’ মোট ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জমা করান। সেখান থেকে তারা লভ্যাংশ হিসেবে ১৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা পান। পরবর্তীতে লেনদেন ও অফিস বন্ধ করে চক্রের সদস্যরা আত্মগোপনে চলে যায়,” বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

সিআইডি বলছে, চক্রটি একই কৌশলে অনেক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত চারটি ব্যাংক হিসাব, মানি রিসিট পর্যালোচনা এবং অফিসের সার্ভারে থাকা তথ্যানুযায়ী বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতারণার অভিযোগ ও মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়েদুল্লাহর অবস্থান শনাক্ত করে বাসাবো থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ঢাকার ভাটারা, উত্তরা পশ্চিম ও সাভার থানায় তিনটি মামলার তথ্য পাওয়ার দিয়েছে সিআইডি।

এর আগে গত বছরের মে মাসে প্রায় ১৫ হাজার জনের কাছ থেকে ৮০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছিল প্রতারক চক্রটির বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলার কথা বলছে পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়