শিরোনাম
◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৩:২৫ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৫৩টি স্বর্ণের বার লুকানো ছিল বিমানের টয়লেটে

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু, ঢাকা: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের টয়লেটে লুকানো থাকা ১৫৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযানে এগুলো উদ্ধার করা হয়।

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, শনিবার রাত ৯টার দিকে দুবাই থেকে আগত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৩৪৮ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ C-02-এ অবতরণ করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিমানটি অবতরণের আগে থেকেই সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়। 

পরবর্তীতে অবতরণের পর গোয়েন্দা সংস্থা ও এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) সদস্যদের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে বিজি-৩৪৮ ফ্লাইটের কার্গো হোল্ডে নিবিড় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির এক পর্যায়ে কার্গো হোল্ডে অবস্থিত টয়লেটের প্যানেল, বিমানের কারিগরি দলের সহায়তায় খুলে দেখা হলে অত্যন্ত সুকৌশলে সাদা কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় মোট ১৫৩টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত প্রতিটি স্বর্ণের বারের ওজন ১১৬ গ্রাম, যার সর্বমোট ওজন ১৭.৭৮৪ কেজি। উক্ত স্বর্ণের বারগুলোর বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক প্রায় ৩৮ কোটি টাকা।

উদ্ধারকৃত ১৭.৭৮৪ কেজি ওজনের ১৫৩টি স্বর্ণের বার বিধি মোতাবেক বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তকরণে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাসমূহ ইতোমধ্যে বিস্তারিত তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদার এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ সুরক্ষায় এ ধরনের চোরাচালানবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়