শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:০২ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৩২ লাখ টাকার অনলাইন জুয়ার লেনদেন ওসির মোবাইলে, দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার

রাজধানীর ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমাউল হকের মোবাইল ফোনে যে ৩২ লাখ টাকা এসেছিল সেটা অনলাইন জুয়ার। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর গতকাল বুধবার তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একজন ওসির মোবাইল ফোনে হঠাৎ করে বিপুল পরিমাণ টাকা আসা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ডিএমপি।

ইমাউল হককে গতকাল থানার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ডিএমপির ডেভেলপমেন্ট বিভাগে বদলি করা হয়েছে। গতকাল ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ারের সই করা এক অফিস আদেশে এই বদলি করা হয়। তবে কারণ উল্লেখ করা হয়নি আদেশে।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ডিএমপির ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমাউল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে (০১৭১২-২৫৪***) অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাত্র ৪৫ দিনে লেনদেন হওয়া এসব টাকার বেশির ভাগই আবার অনলাইন জুয়ায় ব্যয় হয়েছে। ওসির বিকাশ ও নগদ নম্বরে আসা এই অর্থের পরিমাণ ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা, যা সাতটি বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে তার কাছে বিভিন্ন সময়ে পাঠানো হয়।

ডিএমপির তদন্তে তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভাটারা থানার পেছনে অবস্থিত একটি বিকাশ-নগদের দোকান থেকে (রহিমের দোকান) গত দুই মাসে ওসির মোবাইল নম্বরে এসেছে ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। কনস্টেবল আমজাদের মোবাইল নম্বর থেকে এসেছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। কনস্টেবল সাদ্দামের মোবাইল নম্বর থেকে এসেছে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬২৯ টাকা। এছাড়া নাসিমের (বাড়িওয়ালা) নম্বর থেকে এসেছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ টাকা। মদিনা এজেন্ট হাউজ থেকে এসেছে ২ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

তদন্তে উঠে এসেছে, এর বাইরে খালেক নামের এক ব্যক্তি ওসির বিকাশ-নগদে পাঠিয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ৮৫০ টাকা। লন্ড্রি পিকআপ অ্যান্ড ড্রপ নামে রেজিস্ট্রেশন করা একটি নম্বর থেকে ওসির ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে এসেছে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা। আর মিজানুর নামের আরেক ব্যক্তির নম্বর থেকে এসেছে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ১২০ টাকা। পাশাপাশি ওসির ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও বিপুল অর্থ লেনদেন হয়।

ওসি তার মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাওয়া এসব টাকা এপিআই সিস্টেমের মাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন জুয়ায়ও খরচ করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে ঐ সময় ওসি ইমাউল হক জানান, অনলাইন জুয়ার বিষয় কোনো ধারণা নেই ও তার মোবাইল হ্যাক করে একটি গোষ্ঠী এই কাজ করেছে। অভিযোগ অস্বীকার করে ইমাউল হক আরো বলেন, এ ঘটনায় তিনি ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়ারি (জিডি) করেছেন।

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়