শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৪৮ সকাল
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢামেক হাসপাতালের ৮ তলা থেকে লাফিয়ে রোগীর আত্মহত্যা

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গৃহবধূ নাজমিন বেগম (২০) কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। কৃষক স্বামী চিকিৎসার খরচ দিতেন না। চার মাসের সন্তান কোলে নিয়ে বাবা-মার সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। অবশেষে হাসপাতালের ভবন থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।   

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নাজমিন হাসপাতালের নতুন ভবনের অষ্টম তলার ৮০২ নাম্বার ওয়ার্ডে ভর্তি ছিলেন। 

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, মেয়েটি নিজেই আত্মহত্যা করার উদ্দেশে লাফ দেন। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শাহবাগ থানাকে অবগত করা হয়েছে। 

জানা গেছে, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চর বিশ্বাস ১ নাম্বার ওয়ার্ডের রাজমিস্ত্রি জালাল খন্দকারের মেয়ে নাজমিন। একই এলাকার ২ নাম্বার ওয়ার্ডের কৃষক রায়হান ব্যাপারীর স্ত্রী তিনি। জোবায়ের নামে চার মাস বয়সি ছেলে রয়েছে তার। 

নাজমিনের বাবা জালাল খন্দকার জানান, ২০২১ সালে মেয়েকে বিয়ে দেন। তার স্বামী কৃষি কাজ করে। মেয়ে কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। তার স্বামী তেমন কোনো খবর নেয় না। চিকিৎসার খরচও দিত না। এর আগেও নাজমিনকে চিকিৎসা করানো হয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি নাজমিনকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাবা-মাই তার দেখাশোনা করছিল। স্বামী দেখতেও আসেনি।

তিনি বলেন, আমি তাকে ওয়ার্ডে রেখে একটি রিপোর্ট আনতে বাইরে গিয়েছিলাম। তার মার কাছে বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে যায়। পরে আর তাকে খুঁজে পাচ্ছিলাম না। লোকজনের মাধ্যমে সংবাদ পাই, হাসপাতালের পেছন দিকে একজন মানুষ পড়ে গেছে। লোকজন ভিড় করে রেখেছে। সেখানে গিয়ে দেখতে পাই, আমার মেয়ে নিচে পড়ে আছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়